বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই সাধারন মানুষ সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়। এ সরকারের কারণেই দেশের গণতন্ত্র ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। এ জন্য দেশে কোনো বিনিয়োগ নেই। ফলে কর্মসংস্থান কমে যাচ্ছে।

শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর হোটেল ভিক্টোরিয়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে বিরাজমান সংকটের মধ্যই বিএনপি নিজেদের গোছাতে চেষ্টা করছে। তাই গতকাল ঢাকা মহানগরীর কমিটি দেওয়া হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি মির্জা আব্বাস-সোহেলের বলিষ্ট নেতৃত্বেই ঢাকা মহানগরীরতে বিএনপি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হবে।

ফখরুল বলেন, “আগামী অক্টোবর-নভেম্বর নাগাদ ঢাকায় সারা দেশের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে জাতীয় কাউন্সিল হবে। সেখান থেকে রাজনীতি নুতন মাত্রা পাবে।

তিনি আরো বলেন , গণতন্ত্রকে নস্যাৎ এবং ব্যক্তি ও দলীয় ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সংবিধানের দোহায় দিয়ে ক্ষমতাসীন দল ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করেছে। এ নির্বাচন দেশে ও দেশের বাইরে কোথাও গ্রহণযোগ্যতা পাইনি।

ফখরুল বলেন, বিশ্বব্যাংকের টাকায় পদ্মা সেতু করলে লুটপাটের বেশি সুযোগ পাওয়া যাবে না। তাই তারা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দেশে গণতন্ত্র নেই বলেই এ ধরনের ঘটনার পূনরাবৃত্তি হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রেন চর্চা থাকলে সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনা। এক সময় আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করলেও তারাই গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে।’

ক্ষমতাসীনদের শাসনামলে সংখ্যালঘু জনগণের ওপর সবচেয়ে বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতার ধোঁয়াশা তুলে কাজ হাসিল করা।’

এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের সংগঠনকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে সবসময় সংগঠনের পাশে থাকারও আশ্বাস দেন মির্জা ফখরুল।

সংগঠনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে বক্তব্যদেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক জয়ন্ত কুমার, দীপেন দেওয়ান, অ্যাডভোকেট জন গোমেজ, কেন্দ্রীয় সদস্য অপর্ণা রায়, কল্যাণ ফ্রন্ট নেতা প্রিন্সিপাল সুকোমল বড়ুয়া, অ্যালবার্ট পি কস্তা অমলেন্দু দাম অপু প্রমূখ।

ঢাকা, ১৯ জুলাই(টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস