বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার তত্ত্বাবধায়ক ও মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিকে আবারও উড়িয়ে দিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যুদ্ধাপরাধীর দল ছাড়া, আওয়ামী লীগ দেশের সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত।তবে সেটা দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য। তত্ত্বাবধায়ক ও মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে কারও সঙ্গে আর আলোচান হবে না। ২০১৯ সালে সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই নির্বাচন হবে। এর আগে বাংলাদেশ আর কোন জাতীয় নির্বাচন হবে না।
বুধবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া জানাতে দলের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কিছুক্ষন আগে বিএনপি নেত্রী যে বক্তব্য দিয়েছে, তা মিথ্যা ও ভুল তথ্যে ভরপুর ছিল। বিএনপির রাজনীতিই হচ্ছে মিথ্যাচার ও ধ্বংসাত্মক। খালেদা জিয়া দেশের যে বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা করছে, তা পুরোপুরি মিথ্যা। তিনি (খালেদা জিয়া) হয়তো স্বজ্ঞানে, নয়তে অজ্ঞানে জাতির সামনে বিভ্রান্ত তথ্য তুলে ধরেছে।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানের একক সিদ্ধান্তে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন নি বিএনপি। এই ভূলের মাশুল তাকেই দিতে হবে। খালেদা জিয়া তার ভুল সিদ্ধান্তের দ্বায়ভার জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে চায় বলেই সহিংস রাজনীতি শুরু করেছে। তবে তাকে আর সহিংস রাজনীতি করার সুযোগ দেয়া হবে না। জনগণের জানমাল রক্ষায় সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ত্রাণ ও সমাজকল্যান বিষায়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, শ্রম বিষায়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কার্যনির্বাহী সদস্য সুজিত রায় নন্দী, এনামুল হক শামীম প্রমুখ।
এমআর





