দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় “মীর কাসেমের ফাঁসির মধ্য দিয়ে শেষ হল আরাকানিস্তান তৎপরতা” শিরোনামে আজ ৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ভিত্তিহীন মিথ্যা রিপোর্টের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি জনাব হামিদুর রহমান আযাদ প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার রিপোর্টে উল্লেখিত তথাকথিত ‘স্বাধীন ইসলামী আরাকানিস্তান’ নামে কোন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার তৎপরতার কথা আমাদের জানা নেই। কাজেই এ ধরনের কোন তৎপরতার সাথে শহীদ মীর কাসেম আলীর কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রশ্নই আসে না।
দৈনিক জনকণ্ঠের এ রিপোর্টে ‘শহীদ মীর কাসেম আলীর অর্থায়নে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির কক্সবাজার অঞ্চলে সহিংসতা ঘটাতে তৎপর হয়েছিল’ মর্মে যে কথা লেখা হয়েছে তা একেবারে ডাহা মিথ্যা। কোন ধরনের সহিংসতার সাথে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের কোন সম্পর্ক নেই।
কাজেই শহীদ মীর কাসেম আলী এবং জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন মিথ্যা রিপোর্ট প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমি দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
এদিকে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় “জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ১০ জঙ্গীর আত্মঘাতি সেল” এবং আমাদের সময় ডটকম অনলাইন পত্রিকায় “জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ১০ জঙ্গীর আত্মঘাতি সেল” শিরোনামে আজ ৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত রিপোর্টে গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে যে সব ভিত্তিহীন মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারী অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম আজ ৭ সেপ্টেম্বর প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “দৈনিক যুগান্তর ও আমাদের সময় ডট কমে উল্লেখিত সাজ্জাত হোসেন নামে দিনাজপুর জেলায় জামায়াতের কোন পর্যায়ের কোন নেতা নেই। কাজেই জামায়াত নেতার নেতৃত্বে ১০ জঙ্গীর আত্মঘাতি সেল থাকার প্রশ্নই আসেনা।
দৈনিক যুগান্তরের রিপোর্টে সাজ্জাত হোসেনকে দিনাজপুর দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ও আমাদের সময় ডটকমে দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী উল্লেখ করে তার সাথে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে যে সব কথা লেখা হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যা।
যুগান্তরের রিপোর্টে তাকে দিনাজপুর দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ও আমাদের সময় ডটকমে তাকে ঘোড়াঘাট উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী হিসেবে উল্লেখ করা থেকেই বুঝা যায় যে, এ রিপোর্টটির কোন ভিত্তি নেই।
জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যেই দৈনিক যুগান্তর ও আমাদের সময় ডটকমে এ বানোয়াট রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে এ ধরনের বানোয়াট রিপোর্ট প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমি দৈনিক যুগান্তর এবং আমাদের সময় ডটকম অনলাইন পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
এমবি





