কলেজে যাওয়ার পথে সন্ত্রাসী কর্তৃক শিবির কর্মী আরিফুল ইসলামকে হত্যা ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্রশিবির।
বৃহস্পতিবার এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, নানা কৌশলে পরিকল্পিতভাবে একের পর এক শিবির নেতাকর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ৯টায় কলেজে যাওয়া পথে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফুঁলকুড়ি ইসলামিক একাডেমি এলাকায় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে শিবির কর্মী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির মেধাবী ছাত্র, স্থানীয় রেহাইচর হঠাৎপাড়া গ্রামের রমজান আলীর ছেলে আরিফুল ইসলামকে।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি গোলাম মর্তুজা কোনো তদন্ত বা সাক্ষী প্রমাণ ছাড়াই অভ্যন্তরীণ কোন্দলে খুন হয়েছে বলে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন। ছাত্রশিবিরের দ্বীর্ঘ পথ চলায় অভ্যন্তরীণ কোন্দল দূরে থাক সামান্য কথা কাটাকাটিরও নজির নেই, যা দেশবাসীর মত পুলিশ কর্মকর্তার ভালভাবেই জানেন। এর পরও এই হত্যাকাণ্ডের ব্যপারে পুলিশের এমন বক্তব্য জনমনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের যে ভয়ঙ্কর রুপ দেশবাসী দীর্ঘদিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ সারা দেশে দেখে আসছেন তারই আরেকটি নিকৃষ্ট উদাহরণ এ বর্বর হত্যাকাণ্ড। নিরাপরাধ একজন মেধাবী ছাত্রকে হত্যা ও এই বর্বরতা নিয়ে মিথ্যাচার একই সুত্রে গাথা। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।
সরকার বা পুলিশ প্রশাসন যদি খুনিদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয় তাহলে পুলিশ আর সন্ত্রাসীদের একই চোখে দেখবে জনগণ। পুলিশের এ ক্ষেত্রে চাতুরতা বা ব্যর্থতা দেখানো অর্থ তারা আরেকটি নৃশংস খুনকে উৎসাহিত করছেন।
তারা বলেন, দেশবাসী আর কোনো মেধাবী ছাত্রের লাশ বহনে প্রস্তুত নয়। অবিলম্বে খুনিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ কর্মকর্তার মিথ্যা বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রজনতা নিজেরাই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে। আর তখন যে কোন পরিস্থিতির জন্য ব্যর্থ প্রশাসনকেই দায়ী থাকতে হবে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং পুলিশের মিথ্যা বক্তব্য প্রত্যাহার করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
কেএইচ





