বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মামলা-হামলা, খুন-গুম-অপহরণসহ নানাবিধ বীভৎস অনাচার ঢাকতেই শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে জনদৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা।’

সরকারের উদ্দেশে বিএনপি প্রধান বলেন, ‘বাক, ব্যক্তি, লেখনি, ভাষণ, মুদ্রণের স্বাধীনতাসহ জনগণের সকল গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন।

দেশে শান্তি ও স্থিতিশিলতা বিপন্ন করবেন না। শফিক রেহমানের মতো ঋজু ও আত্মশক্তিতে বলিয়ান কলমযোদ্ধাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করে পর্যুদস্ত করতে পারবেন না।’

শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ‘তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এজন্য যে, তিনি বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর অনাচার, ব্যর্থতার বিরুদ্ধে অবিচল নির্ভয়ে লিখে যান।

এই ঘৃণ্য অপকর্মটি করার আরেকটি কারণ হলো- বর্তমান সরকার প্রধানের গণবিরোধী, অগণতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারী নীতি শফিক রেহমান তার শাণিত লেখনির দ্বারা ফুটিয়ে তোলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘শফিক রেহমান সত্য উচ্চারণে অবিচল ও সাহসী এক কলমযোদ্ধা। সেই কারণে তাকে কব্জা করতে না পেরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এটি সরকারের চরম স্বেচ্ছাচারিতারই বহিঃপ্রকাশ। দেশে আজ সম্মানী ব্যক্তি ও সুধীজনদের মানহানি, গ্রেপ্তার করে কণ্ঠরোধ এবং নির্যাতনের মাধ্যমে তাদের নির্বাক করার হীন অপচেষ্টার কোনো অন্ত নেই। এটাই বর্তমান সরকারের সাধারণ বৈশিষ্ট্য।’

বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘মানুষের ভোটাধিকার হরণের পর বাকস্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে তাদের ওপর চলছে দলন-পীড়ণ। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে সাজানো মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেশের প্রতিথযশা সাংবাদিক ও সম্পাদকদেরও গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা হচ্ছে।’

অপর এক বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নানকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

এসএম