আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থেকে সরে গিয়ে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিলে তাতে জনগণ যে রায় দেবে, তা বিএনপি মেনে নেবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিবে ইসলাম আলমগী
আজ (শনিবার) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফখরুল এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যে লক্ষ্য নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও তা অর্জন হয়নি। গণতন্ত্র আজ নির্বাসিত। জনগণের অধিকার হরণ করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক শক্তির পক্ষে যতটুকু লড়াই-সংগ্রাম সম্ভব, আমরা তার চেয়ে বেশি করছি। আমরা বার বার গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি।
খালেদা জিয়া আপোশহীন নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছিলাম। পরবর্তী সময়ে ১/১১-এর অবৈধ ও বেআইনি সরকার ক্ষমতায় আসে। তারপরও খালেদা জিয়ার দৃঢ়তায় কিছুটা হলেও গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছিলাম।’
‘কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেই ২০০৮ সাল থেকে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ শুরু করে। গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী গুম, খুনের শিকার হয়েছেন।
প্রায় ৭ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ৭৪ হাজার মামলা দেওয়া হয়েছে। তারপর আমরা লক্ষ্যে অর্জিত না হওয়া পযন্ত লড়াই চালিয়ে যাব’, বলেন মির্জা ফখরুল।
সরকার অন্যায়, অবৈধভাবে শাসন করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করার সকল ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করছে।’
ফখরুল বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। বিএনপি চেয়ারপারসন যাতে সময়মতো জিয়ার মাজারে পৌঁছাতে না পারে সে জন্য পথে পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করা হয়েছে।’
মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় দলের নেতাদের আরো উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, ডা. জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
এর আগে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিএনপি নেত্রী।
এএস





