দলীয় মনোনয়ন না ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যান পদে এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) মো. সেকান্দর আলী অভিযোগ করে বলেছেন, নৌকা কীভাবে কিনল, কীভাবে বেচল তা আমি জানি না। কুমিল্লার যত প্রতিনিধি আছে, নেতৃবৃন্দ আছে কেউই জানেন না। ঢাকায় যে নৌকা বেচাকেনা হয়, আমিও আগে জানতাম না।

গতকাল মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) আনারস প্রতীক পাওয়ার পর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এ ধরনের বক্তব্য দেন তিনি ।

কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ১ নং কালীরবাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ চেয়ারম্যান প্রার্থীর এমন একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি আওয়ামী লীগ করি, করব। আজ আমি আনারস প্রতীক পাইছি। কালির বাজারের প্রতিটি জনগণ আমার পক্ষে আছে। আমি ২০ বছর রানিং চেয়ারম্যান। আগামী নির্বাচনে আনারস প্রতীকে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করে জনগণের সেবা করা সুযোগ দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, নৌকা পাওয়ার কথা আমি, কিন্তু নৌকা পাইছে ১৩ ভোটওলায়। আমি ৭৬ ভোটওলায় নৌকা পাইছি না। যে আজকে নৌকা নিয়া আসছে, সে এক বছর আগে আওয়ামী লীগে যোগ দিছে। হের টুটাল ফ্যামিলি জামাত-বিএনপি-শিবির এবং তারা কোনো দিন আওয়ামী লীগ করে নাই।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোননয়ন পেয়েছেন নুরুল ইসলাম (সিআইপি)। টানা তিন বারের চেয়ারম্যান ছিলেন মো. সেকান্দার আলী। তবে এ বছর আওয়ামী লীগ তাকে মনোনয়ন দেয়নি। ফলে ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে আনারস প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এবিএস