বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সকাল ১১টায় বনানী সেনা কবরাস্থানে গিয়ে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার কবরে পুস্পস্তবক অপর্ণ করেন।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনোরেল রুহুল আলম চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর, লে. কর্ণেল আবদুল লতিফ, মো. কামারুজ্জামান, মেজর মিজানুর রহমান, ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন, কৃষক দলের শাহজাহান মিয়া সম্রাট, স্বেচ্ছাসেবক দলের বেলাল উদ্দিন ও সাবেক ছাত্র নেতা সুরঞ্জণ ঘোষ।
২০০৯ সালের ২৫ ফ্রেব্রুয়ারি পিলখানা সদর দপ্তরের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা নিহত হন।
পরে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়ায় মাহবুবুর রহমান বিডিআর বিদ্রোহ ঘটনার দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণার দলীয় দাবি আবারো তুলে ধরে বলেন, ‘এদিন আমাদের সেনা বাহিনীর চৌকস মেধাবী কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছে। এটা বেদনার ও ক্ষোভের। আমরা আজ ওই বীর সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এখানে এসেছি। দলের চেয়ারপারসন ও দলের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ আমরা করছি।‘
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘বিডিআর বিদ্রোহ নিছক ডাল-ভাতের কর্মসূচির কারণে হয়নি। এর পেছনে আরো কারণ রয়েছে। বিস্ফোরক আইনের বিচার হয়নি। আমরা দেখেছি, একটা বিচার হয়েছে। অনেকের সাজা হয়েছে। আবার ঘটনার নেপথ্যে অনেকে এখনো ধরা-ছোয়ার বাইরে রয়েছে।‘
তিনি জানান, বিএনপি বিডিআর এর ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে।
এমএইচ/ এআর/জেআই





