তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ভারত যেমন নদী ধ্বংস করতে বাধ নির্মাণ করছে। তেমনি এ সরকার নিজেই নদী ধ্বংস করছে, নদী দখল করছে। তারা বা তাদের দলের লোকেরা বিশ্বাস করে নদী ধ্বংস হলে জমি পাওয়া যাবে। কোথাও সুযোগ পেলে ভয়াবহভাবে জবর দখলে ব্যস্ত হয় ক্ষমতাসীনদের লোকেরা।
শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত ‘অভিন্ন নদীতে ভারতের আগ্রাসন নীতি; বাংলাদেশের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
আনু মুহাম্মদ বলেন, এ অবস্থায় তারা পানির ন্যায্য হিস্যা চাইবার বা নদী ধ্বংসের বিরুদ্ধে কথা বলার নৈতিক অধিকার রাখে না।
ক্ষমতাসীনদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, নদীর তীরবর্তী একজন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সংবাদ সম্মেলন করে বললেন, এখানে পানি বন্ধ হলে আমাদের জমি তৈরি হবে, আবাদ করা যাবে না। আর পানি হলে বন্যার সম্ভাবনা আছে, যা না হলেই ভালো।
‘এ নির্বোধরা বুঝলো না- বাঁধটাকে আমরা বলি উন্নয়ন, আসলে এটা ভুল কৌশল’ বলেন আনু মুহাম্মদ।
তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নকে বিভিন্নভাবে নেই। বাধ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলেই উন্নয়ন হয় না। একটা ধ্বংস করে আরেকটা করা উন্নয়ন নয়। বিদ্যুতের নামে মুলা ঝুলানোর প্রথা চালু হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে সব ধ্বংস করে দেওয়া বৈধ বলে মনে করে ক্ষমতাসীনরা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের পানির অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে শিগগিরই ইউএন কনভেনশনের চুক্তিতে অনুস্বাক্ষর করা উচিত। তাতে আমাদের দেশ এর সবগুলো সুবিধা পাবে। তাতে উল্লেখ আছে, কোনো সরকারই এ ধরনের বাধ দিয়ে অন্যের ক্ষতিসাধন করতে পারবে না। অন্যথায় আমাদের পদ্মা, মেঘনা, তিস্তা ও যমুনা এ চারটি নদী ধ্বংস হলে আমাদের অস্তিত্ব থাকবে না।
[b]ঢাকা, ৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
রাজনীতি
'সরকার নিজেই নদী ধ্বংস করছে'
তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ভারত যেমন নদী ধ্বংস করতে বাধ নির্মাণ করছে। তেমনি এ সরকার নিজেই নদী ধ্বংস করছে, নদী দখল করছে। তারা বা তাদের দলের লোকেরা বিশ্বাস করে





