জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য আ ন ম শামছুল ইসলাম এবং অধ্যাপক আহসানুল্লাহ চৌধুরীসহ চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইআইইউসি) ৪ শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

আইআইইউসি’তে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলায় মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামিরা আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন চট্টগ্রাম জেলা দায়রা জজ মো: ইসমাঈল হোসেন।

অপর আসামিরা হলেন- চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মাহবুবুর রহমান, ড. কাউসার আহমদ, শফিকুল আলম ও নিজামউদ্দিন।

চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন অভিযুক্ত জামায়াত নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আ ক ম সিরাজুল ইসলাম বলেন, “আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়েছিলেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসারে আত্মসমর্পণ করতে এলে শুনানি শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।”

চট্টগ্রাম জেলা আদালতের অতিরিক্ত পিপি লোকমান হোসেন চৌধুরী বলেন, “উচ্চ আদালত আসামিদের ১৮ মার্চের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলেও তারা সময় নিয়েছিলেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে তখন আর শুনানি হয়নি। আজ নির্ধারিত দিনে শুনানি হল। আসামিরা জামিন আবেদন করলেও আমরা এর বিরোধিতা করি।”

আরও পড়ুন: মাওলানা শামসুল ইসলামসহ আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি জামায়াত আমিরের

চলতি বছর ১২ ফেব্রুয়ারি সীতাকুণ্ড থানায় মামলাটি করেছিলেন আইনজীবী কামাল উদ্দিন। তিনি যুবলীগের নেতাও।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সীতাকুণ্ডে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইআইইউসি) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আ ন ম শামছুল ইসলাম, অধ্যাপক আহসানুল্লাহ চৌধুরী, সদস্য, চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মাহবুবুর রহমান, ড. কাউসার আহমদ, শফিকুল আলম ও নিজামউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন কামাল উদ্দিন নামের ওই যুবলীগনেতা।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২৯ জানুয়ারি সকালে আসামিদের প্ররোচনায় ছাত্রশিবিরের ৭০ জন ক্যাডার আইআইইউসি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কার্যালয়ে গিয়ে জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করে।

ওই ঘটনায় দণ্ডবিধির ১২৪ (ক) ধারা অনুসারে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলাটি করা হয়।

এমবি