সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সংলাপে বসতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
বর্তমান সরকারকে আবারো ভোটারবিহীন দাবি করে তিনি বলেন, সরকার হচ্ছে ভোট চোর। আর তাদের সহায়তাকারী নির্বাচন কমিশন পরিসংখ্যান চোর।
রিজভী বলেন, ‘মিথ্যাচারের উপর বসে থাকা সরকার সাংবিধানিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও নিজেদের মতো করে সাজিয়ে রেখে জনগণের সাথে তামাশা ও ইয়ার্কি করছে। গত ৩০ ডিসেম্বর পৌর নির্বাচনে যে সহিংস ভোট ডাকাতির চিত্র মানুষ দেখেছে সেটিকে উড়িয়ে দিয়ে বলেছে যে, এই ভোটে নাকি ৭৪ শতাংশ ভোট পড়েছে।’
‘বিএনপিসহ দেশের গণতান্ত্রকামী রাজনৈতিক দল বরেণ্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজে বার বার আহ্বান সত্ত্বেও এই ভোটারবিহীন সরকার গণতন্ত্রের পথ মসৃণ করছে না। বর্তমান সরকার নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে আঁকড়ে রাখার জন্য গুম, খুন, গুপ্ত হত্যা, গ্রেপ্তারের পথকেই একমাত্র অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছে। সরকার বিরোধী দলের টুটি চেপে ধরে রাখার জন্য আপোষের সোজা পথে হাঁটতে অস্বীকার করে দেশকে উপসংহারহীন অবস্থার দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্রের মেকি ও সৌখিন বুলি আউড়িয়ে প্রকৃত পক্ষে গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো, নির্বাচন, জনমত ইত্যাদিকে এরা প্রতিদিন তাচ্ছিল্ল করে যাচ্ছে। এরা রাষ্ট্র নিয়ে বিশৃঙ্খলা আর অপকৃর্তিতে মেতে উঠেছে শুধুমাত্র নিজদের অশুভ ইচ্ছা পূরণের জন্য’, বললেন রিজভী।
বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘সন্ত্রাস, সংঘাত, সহিংসতায় অবলম্বনকারী এই সরকার কখনোই গণতন্ত্রের পথে হাঁটার আহবান কান পেতে শুনবে বলে মনে হয় না। শুধুমাত্র তারা নিজেদের ক্ষমতাকে জোর করে আঁকড়ে ধরতে এমন কোনো নোংরামি নেই যা করতে বাদ রাখবে। আর সেই জন্যই তারা গ্রেপ্তার আর ক্রসফায়ার অব্যাহত রেখেছে।’
এমএইচ





