১১টি ইন্সুরেন্স কোম্পানি ছাড়াও কয়েকটি ক্লিনিক ও হাসপাতালের জঙ্গি অর্থায়নের সংশ্লিষ্টতা অনুন্ধান করবে সরকার।
এছাড়া সদ্য কাজ শুরু করা বা আগামীদিনে কাজের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে এমন কয়েকটি ইসলামি নামযুক্ত ইন্সুরেন্স কোম্পানির আয়-ব্যয়ের তথ্যও নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, গোয়েন্দাদের দেওয়া একটি প্রতিবেদন পাওয়ার পর ‘জঙ্গি প্রতিরোধ ও প্রতিকার সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি’র বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
‘জঙ্গিদের অর্থের উৎস খুঁজতেই ইসলাম নামধারী কিছু আর্থিক ও সেবাখাতের প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে আগামী বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি কারোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের অর্থ জোগানদাতাদের উৎস খুঁজতেই এটি করা হবে। সবাই তো আর জঙ্গি অর্থায়ন করে না। তবে কারা করে তা খুঁজে বের করতেই সম্ভাব্যদের আয়ের উৎস খতিয়ে দেখা হবে। যদিও বিষয়টি এখনও সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। আমরা সুপারিশ পেয়েছি, সেই সুপারিশ আগামী বৈঠকে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।
গত ১৮ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘জঙ্গি প্রতিরোধ ও প্রতিকার সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি’র বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটির প্রধান শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ কমিটির সদস্য। ওই বৈঠকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জঙ্গি অর্থায়ন খুঁজে বের করার জন্য সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে উত্থাপন করা সুপারিশে বলা হয়, ইসলাম নামযুক্ত ১১টি ইন্সুরেন্স কোম্পানি কাজ করে থাকে। এছাড়াও সেবাখাতের কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যাদের জঙ্গি অর্থায়নের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে দেখা উচিত।
এসব ইন্স্যুরেন্স ও ক্লিনিক-হাসপাতাল বিভিন্ন খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকে। এসব অর্থের উৎস খুঁজে বের করা উচিত বলে জানানো হয় বৈঠকে।
ঢাকা, ২৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর





