ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম আসন্ন নির্বাচনে আবারও মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের সংবর্ধনা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এমন প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তারা।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের সংবর্ধনা ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমদাদুল হক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।
মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ‘আমি নিজেকে সফল মনে করি। কারণ, আমি ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে সক্ষম হয়েছি। ৫২ বাজার ৫৩ গলি খ্যাত ঢাকা শহরের এমন কোনো অলিগলি নেই, যেখানে আমি একটা ইতিবাচক পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগাতে পারিনি।’
নিজের সফলতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শান্তিনগরের ৪০ বছরের জলাবদ্ধতা তো আমিই নিরসন করলাম। নাজিমদ্দিন রোডে প্রায় ৫০ বছরের জলাবদ্ধতার সমস্যা ছিল, সেটাও সমাধান করেছি। বংশাল, পুরোনো ঢাকার জলাবদ্ধতা আমরা সমাধান করেছি। আবার নতুন কিছু কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা হচ্ছে। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আশা করি, নগরবাসী যদি আমাদের ভালোবাসায় সিক্ত করেন, আমাদের কাজগুলো অব্যাহত রাখার সুযোগ দেন, এসব সমস্যার সমাধান করতে পারব।’
ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ তাকে আবার মনোনয়ন দেবে কি না, এর জবাবে সাঈদ খোকন বলেন, ‘ইনশা-আল্লাহ, আমি আশাবাদী। দল থেকে উভয় মেয়র মনোনয়ন পাব।’
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ নয় মাস ধরে মেয়রের দায়িত্বে আছি। এই অল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু পেরেছি, অভিজ্ঞতা নিয়েছি। এখন এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সময়। আমি মনে করি আওয়ামী লীগ আমাকে আবার মনোনয়ন দেবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আমাকে মনোনয়ন দিলে এবং আমি যদি নির্বাচিত হই তাহলে সবুজ ঢাকা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করব। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা, যানজটের বিরুদ্ধে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করতে চাই।
এমএম





