বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার বলেন, বহু রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সূর্য আজ ম্লান হতে চলছে।
কারণ স্বাধীনতার পর থেকেই যারাই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিল তারাই নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য যোগ্যতার পরিবর্তে সন্ত্রাসবাদকে প্রাধান্য দিয়েছে বেশি।
যে কারনে দেশ যথাযথ জায়গায় পৌছতে পারেনি। বিশ্বের দরবারে নিজেদেরকে মাথা উচু করে দাঁড়াতে হলে যোগ্যতার বিকল্প নেই। তাই আমাদের প্রত্যেক জনশক্তিকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আজ রাজধানীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের পরামর্শ সভার সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
শিবির সভাপতি বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তির অপশাসনে দেশে অরাজকতা বিরাজ করছে। সরকারের পদে পদে সন্ত্রাসী, নাস্তিক আর দূর্নীতিবাজরা অবস্থান করছে। শামিম উসমানের মত শীর্ষ সন্ত্রাসী, আবুল হোসেনের মত দূর্নীতিবাজ, জঙ্গিবাদী হায়েনার দল ছাত্রলীগ দেশটাকে ভীতির জনপদে পরিণত করেছে।
অন্যদিকে আব্দুল লতিফ, সৈয়দ আশরাফের মত স্বঘোষিত নাস্তিক ও ধর্মদ্রোহীরা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অবস্থান করছে। আর জাতির জন্য লজ্জার বিষয় হল দাগী ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং স্বঘোষিত নাস্তিকদের সরাসরি পৃষ্টপোষকতা করছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।
শামিম উসমানের মত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও খুনি ছাত্রলীগের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিয়েছেন। একই ভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পেয়েছে ইসলাম বিরোধী অপশক্তি।
দূর্ভাগ্যজনক ভাবে চিহ্নিত নাস্তিক ও ধর্মদ্রোহীরা ৯০ ভাগ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের দেশের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গণধিকৃত সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে নাস্তিক ও সন্ত্রাসীদের উপর ভর করে চলছে।
সার্বিক পৃষ্টপোষকতা দিয়ে দেশকে নাস্তিক ও সন্ত্রাসীদের চারণ ভূমিতে পরিণত করেছে। অপশক্তির সর্বগ্রাসী তান্ডবে দেশবাসী আজ শঙ্কিত ও বিক্ষুদ্ধ।
তিনি বলেন, বাতিল শক্তির আস্ফলন দেখে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। অপশাসন করে আওয়ামীলীগ সেই পথেই অগ্রসর হচ্ছে যেই পথের শেষ পরিণতি লজ্জাজনক পরাজয় ও ধিক্কার। অন্যদিকে বাংলার জমিন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য উর্বর হয়েছে।
এখন প্রয়োজন অসিম ধৈর্য, দূরন্ত সাহস ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে ইসলাম কায়েমের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া এবং সাথে সাথে নিজেদেরকে যোগ্য করে গড়ে তোলে সমাজের নেতৃত্বের জন্য উপস্থাপন করা।
মনে রাখতে হবে যে মাটিতে ইসলামের জন্য নারী, শিশু, বৃদ্ধ, আলেম-ওলামার রক্ত ঝরেছে সেই মাটিতে ইসলাম কায়েম হবেই।
শাখা সভাপতি মাইনউদ্দিন মৃধার সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী সাদেক বিল্লাহ’র পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিথ ছিলেন কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক রাশেদুল হাসান রানা, স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক মসরুর হোসাইন।
এসএইচ





