সংসদ থেকে শুরু করে জনগন পর্যায়ে ব্রাজিল থেকে আমদানি করা কমদামি, অনুন্নত মানের লাল, ছোট গম নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আর তাই এই প্রথম খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে রাজনৈতিক বক্তব্য থেকে সড়ে এসে তার মন্ত্রনালয়ের বিষয়ে বক্তব্য দিতে দেখা গেল।
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, গম নিয়ে যত কথা হচ্ছে, তার সবই শূন্যের উপর।‘সঠিক পরীক্ষা ছাড়া কেউ এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে পারে না। খাদ্য অধিদফতরের পরীক্ষায় জানা গেছে, ব্রাজিল থেকে আমদানি করা গম লাল, ছোট ও দেখতে খারাপ হলেও তা খাওয়ার অনুপযোগী নয়।
দশম সংসদের দ্বিতীয় বাজেট অধিবেশনে শনিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে খাদ্যমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, দুইবারের পরীক্ষার পরও এখানে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। আর পুরোপুরি পরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছার আগেই কেউ একজন প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ গমের সেম্পল পৌঁছে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এ সেম্পল দেখে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। আর কেন এমন হলো তা দ্রুত বের করে এর সমাধানের নির্দেশ দিয়েছেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এরই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের ১৫-১৬টি জেলা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আবারও ল্যাবে দেওয়া হয়েছে। যার রিপোর্ট আগামী তিন দিনের মধ্যে হাতে পাওয়া যাবে। এর পরই বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কথা বলা হবে।
খাদ্যমন্ত্রী জানান, এরই মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন গম বিতরণ করা হলেও তা নিয়ে খুব একটা বিতর্কিত কথাবার্তা হয়নি। আর কাউকে এ গম জোর করেও দেওয়া হয়নি। বর্তমানে বিভিন্ন গুদামে এখন দেড় লাখ মেট্রিক টন গম রয়েছে।
ইআর





