২০ দলীয জোটের চলমান আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সঙ্কট নিরসনে কোনো উদ্যোগ ও আন্তরিকতা দেখায়নি। তারা বিএনপির সাত দফা প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বিএনপির দাবি বিবেচনায় না নিয়ে আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে বাধ্য করেছে।

শুক্রবার বিকাল পৌনে ৫টায় গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘একটা যৌক্তিক পরিণতিতে না পৌঁছা পর্যন্ত এ আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে এবং সংবিধান রক্ষার স্বার্থে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করা হচ্ছে বলে শেখ হাসিনা যে কথা দিয়েছিলেন তাতে আস্থা রাখা যে চরম ভুল ছিল তা দেশবাসী পরবর্তীতে বুঝতে পেরেছে। তাদের কথায় আন্দোলন প্রত্যাহার করার পরই এ অবৈধ সরকার যৌথ বাহিনী নামিয়ে নেতাকর্মীদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার, হত্যা, হয়রানি করেছে। আমরা এক বছর অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু আওয়ামী লীগ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি।’

উল্লেখ্য, টানা হরতাল-অবরোধ চলাকালে সারাদেশে সহিংসতার মধ্যে দুই মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন খালেদা জিয়া। ৫২ দিন আগে সর্বশেষ গণমাধ্যমের সামনে কথা বলেন তিনি।

খালেদা জিয়া গত ৩ জানুয়ারি রাত থেকে গুলশানে তাঁর রাজনৈতিক কার্যালয়ে রয়েছেন। এর মধ্যে গত ৫ জানুয়ারি বর্তমান সরকারের এক বছর পূর্তির দিন ২০-দলীয় জোটের তরফ থেকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশি বাধায় তিনি তাঁর কার্যালয় থেকে বের হতে পারেননি। কার্যালয়ে থাকার সময় গত ১৯ জানুয়ারি রাতে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন খালেদা জিয়া। ৫৩ দিন পর আজ আবার সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

জেএ/এএইচ