ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
রোববার বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আপনারা জানেন যে, বিচারক বেগম জিয়া ও তারেক রহমানকে সাজা দিয়েছের তাদের পুরষ্কার হিসেবে হাইকোর্ট এর বিচারপতি করা হয়েছে। আর যে বিচারপতি তারেক রহমানকে খালাস দিয়েছে তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে এই রাষ্ট্রকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিনত করছে। আর তা বাস্তবায়ন করতে হলে বেগম জিয়াকে আটকে রাখা ছাড়া তাদের বিকল্প নেই। তাই আজ জাতীয়তাবাদী শক্তি ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে একটা ধাক্কা দিতে পারলে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে বেগম জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব।
খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা দেখেছি বাজার সরকারের সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণে। সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ২০ টাকার পেঁয়াজ ২০০ টাকা কেজি হয় না। কিছু লোককে টাকার মালিক বানাতে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য এটা প্রথম সমাবেশ নয় আমরা বহুবার করিছি। তার বিরুদ্ধে যে অন্যায় করা হচ্ছে এবং সরকারের অপপ্রচারের বিষয়ে আমরা জনগনকে জানিয়েছি। এতিমদের যে ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে সেই ফান্ড থেকে একটি টাকাও উঠানো হয়নি। সেখানে টাকা মেরে খাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তিনি বলেন, সরকার যেহেতু দেশের বিচার বিভাগকে নিজেদের আজ্ঞাবহ করে পরিচালানা করেছেন সেহেতু এই বিচার বিভাগের অধীনে বেগম জিয়ার মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়।
ঢাকা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাসারের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সাদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবেদীন ফারুক, আব্দুস সালাম, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, এজেড এম জাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এনি, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক শরফুদ্দিন সপু, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, সাধারন সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজীব আহসান প্রমুখ।





