তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ও ক্রসফায়ারের নামে নেতাকর্মীদের হত্যা ও গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে শনিবার রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও মহানগরের সব ওয়ার্ডে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। তবে সরকার তাদের বিক্ষোভ মিছিল করতে দেবে না বলে জানা গেছে।

এ ক্ষেত্রে বিক্ষোভে বাধা দিলে রোববার থেকে ‘সর্বাত্মক’ হরতালসহ আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে জোটের।
বিএনপি বলেছে, শনিবারের বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দেয়া হলে রোববার থেকে ‘সর্বাত্মক’ হরতালসহ আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে তাদের। শুক্রবার দলের পক্ষ থেকে দেয়া বিবৃতিতে যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমদ আইন অমান্য করা এবং সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করারও হুমকি দিয়েছেন।

এদিকে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি নিয়ে ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস ও হাবিব-উন-নবী খান গতকাল বিবৃতি ২০-দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীসহ নগরবাসীকে সর্বোচ্চ ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে শেষ ধাপের আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বর্ষপূর্তি সামনে রেখে বিএনপির সমাবেশের আগে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে তার গুলশানের কর্যালয়ে ‘অবরুদ্ধ’ করে সরকার। এরপর ৩ জানুয়ারি সেখান থেকে বেরোতে গেলে খালেদা জিয়াকে গেটে আটকে দেয় পুলিশ। তৎক্ষণাৎ দেশজুড়ে লাগাতার অবরোধের ডাক দেন তিনি। অবরোধের মধ্যে ছয় দফায় বিভিন্ন মেয়াদে দেশব্যাপী হরতালও দেয় ২০ দলীয় জোট।

জেএ