সরকারী চাকুরীতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবীতে দেশের মেধাবী তরুণ ছাত্র সমাজের ন্যায়সংগত দাবি মেনে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেছেন, “সরকারী চাকুরীতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবীতে দেশের মেধাবী তরুণ ছাত্র সমাজ যে আন্দোলন করছে তা ন্যায় সংগত। অবিলম্বে তাদের এ ন্যায়সংগত দাবী সরকারের মেনে নেয়া উচিত। ছাত্র সমাজের দাবী মেনে নেয়ার পরিবর্তে তাদের উপর আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলা এবং গ্রেফতার নির্যাতনের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

আজ (১০ এপ্রিল) দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এম. আলম স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেসবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।   

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “আমি উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, দেশের মেধাবী তরুণ ছাত্র সমাজ দীর্ঘদিন থেকেই চাকুরীতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবীতে আন্দোলন করে আসছে। শুধু তরুণ ছাত্র সমাজই নয়, দেশের শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী এবং রাজনীতিবিদগণও বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি যুগপোযোগী সংস্কারের পক্ষে অভিমত দিয়েছেন।

কিন্তু সরকার তাদের মতামতের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করেই চলেছে। যে কারণে দেশের মেধাবী তরুণ ছাত্র সমাজ বৈষম্যমূলক এই কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবীতে চূড়ান্ত আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছে।”  

প্রেসবার্তায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারিবলেন, “ছাত্রদের দাবী আজ জাতীয় দাবীতে পরিণত হয়েছে। বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি চালু থাকায় সত্যিকারভাবে মেধার কোন মূল্যায়ন হচ্ছে না। দেশকে সত্যিকারভাবে গড়ে তুলতে হলে মেধার যথার্থ মূল্যায়ন করতে হবে। বর্তমানে চাকুরীতে ৫৬ ভাগ শিক্ষার্থী শুধুমাত্র কোটার ভিত্তিতেই নিয়োগ পাচ্ছে যা পৃথিবীর কোন দেশেই নেই।”

“তাই একগুয়েমী পরিহার করে অবিলম্বে আন্দোলনকারীদের সকল দাবী মেনে নেয়ার জন্য আমি সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।”  

এমবি