জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) তিব্বত হলের অবৈধ দখল নিয়ে ছাত্রলীগকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন হাজী মো. সেলিম। এই হলের বেদখল নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ঢাকা-৭ আসনের এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য।  
শুক্রবার সদরঘাটের গুলশান আরা সিটিতে (আগের তিব্বত হল) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ চ্যালেঞ্জ করেন। তিনি বলেন, এ সব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও কল্পনাপ্রসূত। রাজনৈতিকভাবে হেয় করতেই আমার বিরুদ্ধে এ সব মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
হাজী সেলিম দাবি করেন,ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নবাব খাজা আবদুল্লাহ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে মদিনা ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড ২০০২ সালে এ জায়গায় গুলশান আরা সিটি নামে বাণিজ্যিক ভবনটি নির্মাণ করেছে। এ জায়গাটি খাজা আবদুল্লাহ ট্রাস্টের সম্পত্তি। এ সংক্রান্ত সব দলিলাদিও রয়েছে আমার কাছে।
স্বতন্ত্র সংসদ বলেন, ১৯৮৫ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত কাগজপত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা নিয়ে কোনো তথ্য উল্লেখ ছিল না।
চ্যালেঞ্জ দিয়ে হাজী সেলিম বলেন,এরপরও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারলে,আমি তা তাদের দিয়ে দেবো।
সংসদে ছাত্রলীগের কুকীর্তি প্রকাশ করায় ছাত্রলীগ তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত এই সংসদ সদস্য।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরীফুল ইসলাম বলেন,১৯৮৫ সালের আগ পর্যন্ত তিব্বত হলে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের শিক্ষার্থীরা থাকতেন। ১৯৮৫ সালে ভুল-বোঝাবুঝি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষ হয়। ওই সময় থেকে শিক্ষার্থীরা না থাকায় হলটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। এরপর হাজী সেলিম তা দখলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ছাত্রলীগ সভাপতি শরীফুল ইসলাম যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণাদি আছে বলেও জানান। হল উদ্ধারে কঠোর কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, হল উদ্ধারে প্রশাসনকে সঙ্গে থাকতে বলব। যদি না থাকে শিক্ষার্থীদের নিয়েই কর্মসূচি চলবে।
ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি ( টাইমনিউজবিডি.কম ) // কেএইচ