খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, জঙ্গী ও হরকাতুল জিহাদের জন্মদাতা বিএনপি ও হাওয়া ভবনকে সমূলে নির্মুল করতে হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে হরতাল বিরোধী এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট এ সমাবেশের আয়োজন করে।
কামরুল বলেন, বিএনপির জন্ম দেয়া জঙ্গি ও হরকাতুল জিহাদ এখন বাংলাদেশ থেকে কলকাতা পর্যন্ত পৌঁছেছে। তারা যতই নাশকতা করার চেষ্টা করুক না কেন? বর্তমান সরকার ও গোয়েন্দারা এদের বিরুদ্ধে তৎপর রয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের ইহুদি মেয়ের ইহুদি জামাতা ডেভিড বার্গম্যান আল জাজিরা মিডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন- বাংলাদেশের কোন আদালত আন্তর্জাতিক মানের নয়। তাই তাকে বাংলাদেশ থেকে বের করে দেয়া উচিত’। এরা পরোক্ষভাবে স্বাধীনতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিবাদের সমর্থন করে যাচ্ছেন। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে এদেরকে প্রতিহত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘ আইনজীবী হিসেবে অত্যন্ত দু:খ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে চাই আরেক জন আছেন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি ১৯৭৩ সালে দালাল ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ছিলেন। আর আজ শুধু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের কারণে তিনি ঘাতকদের পক্ষে জোর গলায় কথা বলেছেন। আমরা এক সময় তাকে শ্রদ্ধা করতাম। এই ঘটনার পর ব্যক্তিগতভাবে তাকে আমি শ্রদ্ধা করি না’।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে বাংলাদেশকে কলঙ্কমুক্ত করতে চাই। দেশে আমরা কোন বিভাজন রাখতে চাই না।
তিনি বলেন, জামায়াত নেতাদের যুদ্ধাপরাদের মামলার রায়ের পর বিএনপি মুখে কুলুপ এঁটেছে। তাই বলে তারা বসে নেই। তারা ষড়যন্ত্র করছে, যেকোন মূহুর্তে ২০১৩ সালের মত একটা মরণ কামড় দিতে পারে।
এ সময় তিনি ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ডাকা হরতালের খবর গণমাধ্যমে প্রচার না করার জন্য সাংবাদিকদের আহবান জানান।
আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম লীগ আয়োজিত পৃথক এক হরতাল বিরোধী মানববন্ধনে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের কোথাও হরতাল পালন করা হচ্ছে না। অন্যান্য দিনের মত স্বাভাবিক ভাবেই গাড়ি-ঘোড়া চলছে।
তিনি বলেন, এই হরতাল চোরাগুপ্তা। এটা গোপন স্থান থেকে ভিডিও ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডাকা হয়। এত জনগণের সমর্থন নেই।
সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট তারানা হালিমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, এম এ করিম, সোহেলী পারভীন মনি প্রমুখ।
এমআর/ এআর





