সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো দুদকের করা অর্থ পাচার মামলার সাজা এবং হুলিয়া মাথায় নিয়েই পৃথিবী থেকে চলেগেন।
তিনি চিরদিনের জন্য চলেগেলেন তবে রেখেগেলেন দেশ বিদেশে দলীয় নেতা-কর্মী এবং শুভাকাঙ্খীদের জন্য শোকের ছায়া। আজ শনিবার দুপুরে মালয়েশিয়ায় কোকোর মৃত্যু হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দুদক এবং পুলিশের করা ২৫ মামলার গ্যারাকলে জিয়া পরিবার। এর মধ্যে কোকোর ৫ মামলা, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৫ মামলা, তারেকের ১৪ মামলা এবং তারেকের স্ত্রী ডা. জোবায়দার বিরুদ্ধে ১ মামলা রয়েছে।
কোকোর মামলা : অর্থ পাচার- ৯ লাখ ৩২ হাজার ৬৭২ মার্কিন ডলার এবং ২৮ লাখ ৮৪ হাজার ৬০৪ সিঙ্গাপুর ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩ কোটি টাকা) পাচারের অভিযোগে ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ কাফরুল থানায় মামলাটি করে দুদক।
তার অনুপস্থিতিতে ২০১১ সাল ২৩ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত কোকোকে ৬ বছরের কারাদন্ড দেন। কোকোর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে গুলশান থানায় ২০০৭ সালের ২৭ মার্চ ও ১৬ মে পৃথক ২ মামলা হয়।
২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল দুদক বেগম জিয়ার ছোট ছেলে কোকোর বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় কোকোর বিরুদ্ধে ২ কোটি ৪ লাখ ৬১ হাজার ২০৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১১ লাখ ২০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয় । এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কোকোর বিরুদ্ধে ২৪ লাখ ৩৯ হাজার ২২৬ টাকার কর ফাঁকির অভিযোগে মামলাটি করে ।
গ্যাটকোকে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়মেরঅভিযোগে কোকোকেসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুদক তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করে।
জানা যায়, ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল হোসেন রোডের বাড়ি থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে গ্রেফতার করে যৌথ বাহিনী।
এরপর ২০০৮ সালের মে মাসে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান তিনি। তারপর থেকে তিনি বিদেশেই অবস্থান করছিলেন। স্ত্রী ও ২ মেয়ে তার সঙ্গে বিদেশেই অবস্থান করছিলেন।
একে





