বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সরকার যদি ভারতীয় বিশেষ কোন বাহিনীকে  দেশে প্রবেশ করার সুযোগ দেয়, তাহলে জনগণ স্বশস্ত্রভাবে তা প্রতিহত করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আ স ম হান্নান শাহ।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন মিলনায়তনে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলাকারীদের মধ্যে দুই-তিন জন কট্টরপন্থী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর স্বজনদের দেখা গেছে। 

‘উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্যের দাবি’ শীর্ষক এ সভায় তিনি বলেন, নিজেদের ‘আওয়ামী লীগ’ ঘরে কি আছে? অস্বীকার কি করেছেন? কি করে অস্বীকার করবেন? কারণ গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলাকারীদের মধ্যে দুই-তিন জনকে আমি চিনি। তারা ‘হামলাকারীরা’ আওয়ামী লীগের কট্টরপন্থী নেতাদের স্বজনেরা। উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদকে আওয়ামী লীগ সমর্থন করে বলেও মন্তব্য করেন হান্নান শাহ।

হান্নান শাহ বলেন, বাংলাদেশ সরকার বোমা নিস্ক্রিয় করার জন্য বিদেশ থেকে সেনা নিয়ে আসবে। আমার প্রশ্ন, তাহলে কি বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর মধ্যে বোমা নিস্ক্রিয়কারী নেই, আছে। আমাদের হাজার হাজার বোমা নিস্ক্রিয়কারী সেনাবাহিনীর সদস্যরা আছে।

বিদেশ থেকে বোমা নিস্ক্রিয়কারী সেনা নিয়ে আসা বলে দেশের জনগণ তা সশস্ত্র মোকাবেলা করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখে বিএনপির এ নেতা বলেন, গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার সময় বোরকা পড়ে কে ‘রেস্তোরাঁয়’ প্রবেশ করেছিল। আমরা কি বুঝতে পারি না, এটা কোন পরিকল্পনার অংশ?

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাকা বাবু’র ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী’ কথা ছাড়া আর কারও কথা শুনেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভারত ও রাশিয়া ছাড়া বর্হিবিশ্বের সকল দেশেই বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকার দেশে চায় বলেও মন্তব্য করেন হান্নান শাহ।

জাগপা’র সভাপতি শফিউল আলম প্রধানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জাগপা’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ বক্তব্যে রাখেন।

এসএম/ইআর