দৈনিক জনকন্ঠে ‘আগে থেকেই কল্যাণপুরের জাহাজ বিল্ডিং ছিল শিবিরের আস্তানা, এবং কল্যাণপুরে আহত হাসান মোস্ট ওয়ানটেড শিবিরওয়ালা’ শীর্ষক দুটি প্রতিবেদনে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন খবর প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল ইয়াছিন আরাফাত বলেন, আবারো নীতিহীন হলুদ সাংবাদিকতার নিকৃষ্ট নজির স্থাপন করেছে জনকন্ঠ।
জঙ্গিবাদ নিয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাই যখন উদ্বিগ্ন তখন তা রাজনৈতিক রুপ দিতে উঠেপড়ে লেগেছে দলীয় ভাবাপন্ন এই গণমাধ্যমটি।
প্রতিবেদন দুটিতে নাম পরিচয়হীন স্থানীয় ও মুদি দোকানীর ধারণার আড়ালে বানোয়াট সুত্রের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তাদের ধারণা বাড়িটি শিবিরের আস্তানা ছিল। শুধুমাত্র ধারণা ও কল্পনার উপর ভিত্তি করে এমন গুরুতর বিষয়ের সাথে একটি ছাত্রসংগঠনকে জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে তাতে সুষ্ঠ সাংবাদিকতার কপালে লজ্জার তিলক লাগিয়ে দিয়েছে।
যেখানে পুলিশ প্রধান বলেছেন জঙ্গিরা জেএমবি সদস্য,পুলিশের পক্ষ থেকে জঙ্গিদের পরিচয় প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে সেখানে আগবাড়ীয়ে এখানে ছাত্রশিবিরকে জড়ানো উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।বাস্তবতা হলো, এই জঙ্গি আস্তানার বাড়ীর মালিক আফতাব উদ্দিন আহমেদ আ.লীগ নেতা এবং তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দক্ষিনের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। যদি কারো উপর দায়ভার বর্তায় তাহলে তা আ.লীগ নেতা ও তার দলের উপরই বর্তায়। অন্যদিকে কল্যাণপুরে জঙ্গি অভিযানে আটক হাসান নিজেকে আইএস সদস্য বলে গণমাধ্যমের কাছে দাবী করেছে।
আর পুলিশ তাকে বলছে জেএমবি সদস্য। কিন্তু এসব কিছুকে পাশ কাটিয়ে জনকণ্ঠ একপেশে ও দলীয় লেজুর ভিত্তির বহি:প্রকাশ ঘটিয়ে ছাত্রশিবিরকে জড়িয়ে অপপ্রচার করে যাচ্ছে। সাংবাদিকতার প্রতি নূন্যতম দায়িত্ববোধ থাকলে জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষ এমন জলজ্যন্ত মিথ্যাচার করতে পারত না।নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের ভয়াবহ সমস্যগুলো প্রকট হওয়ার পেছনে জনকণ্ঠের মত নীতিহীন অপসাংবাদিকতা অনেকাংশে দায়ী। এই গণমাধ্যমটি সাংবাদিকতার আড়ালে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত।
আমরা বলব, জঙ্গিরা আ.লীগ নেতার বাসায় আস্তানা গেড়েছে, গুলশানের জঙ্গিদের অন্যতম জঙ্গি আ.লীগের কেন্দ্রীয় নেতার ছেলে এবং জঙ্গিদের শীর্ষ নেতারা আ.লীগের শীর্ষ নেতার নিকট আত্বীয় তাছাড়া প্রতিনিয়তই জঙ্গিদের সাথে আওয়ামী কানেকশন প্রমাণহচ্ছে। সুতরাং এমন নির্জলা মিথ্যাচার করে সত্যকে ধামাচাপা দেয়া যাবেনা।উল্টো বুমেরাং হবে।
এমন নির্লজ্জ অপপ্রচার অব্যাহত রাখলে বরং জঙ্গিদের মতই গণধিক্কারের পাত্রে পরিণত হবে জনকণ্ঠ।নেতৃবৃন্দ এ ধরণের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।
এআই





