জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলেই সরকার বিরোধী দলের উপর হামলা, মামলা ও গণগ্রেফতার অব্যাহত রেখে ফের ৫ জানুয়ারীর আদলে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বললেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সচেতন জনতা সরকারের সে স্বপ্নবিলাস কখনোই সফল হতে দেবে না এবং শত বাধা-প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে সারাদেশের মত ঢাকা-১৫ আসনে ধানের শীষে বিজয় নিশ্চিত করবে। তিনি ৩০ ডিসেম্বর দলে দলে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অগণতান্ত্রিক শক্তিকে রুখে দেয়ার আহবান জানান।

আজ রাজধানীতে ঢাকা-১৫ আসনে ২০ দলীয় জোট মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমানের সমর্থনে ২০ দলীয় জোট মিরপুর থানার ১৩ নং ওয়ার্ড আয়োজিত প্রচার মিছিল পরবর্তী পথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সকাল ৯ টায় প্রচার মিছিলটি ৬০ ফিট ছাপরা মসজিদ থেকে শুরু হয়ে আমতলা বাজারে এসে পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়। পথ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা-১৫ আসনে ধানের শীষে মিডিয়া সমন্বয়ক মুহাম্মদ আতাউর রহমান সরকার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সালাহউদ্দীন আইয়ুবি, মিরপুর থানা ২০ দলীয় জোট নেতা নাসির উদ্দীন, ডা. মঈন উদ্দীন, আব্দুল আউয়াল আজম, সাইফুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান ও ছাত্রনেতা জোবায়ের হোসেন রাজন প্রমূখ।

মাহফুজুর রহমান বলেন, ঢাকা নগরীর প্রাণকেন্দ্র অবস্থিত ঢাকা-১৫ সংসদীয় আসন। এ আসনে ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে বিশিষ্ট চিকিৎসক, স্বনামধন্য সমাজসেবক, খ্যাতিমান সংগঠক, প্রখ্যাত রাজনীতিক, ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষনেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল জননেতা ডা. শফিকুর রহমানকে।

কিন্তু নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণেই তিনি এখনো নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন নি। এমনকি ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরাও নির্বিঘ্নে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন নি। সরকার দলীয় সন্ত্রাসী ও পুলিশ যুগপৎভাবে তাদের উপর হামলা চালিয়ে তাদেরকে নির্মমভাবে মারধর, যানবাহন ভাঙ্গচুর, প্রচার সামগ্রী ও নগদ অর্থ লুটের ঘটনাও ঘটাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত হামলা, মামলা ও গণগ্রেফতার অব্যাহত আছে। শুধু ঢাকা-১৫ আসনেই এ পর্যন্ত দু’শতাধিক ২০ দলীয় জোট নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেক নেতাকর্মীকে গুমও করা হয়েছে। মূলত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তো দুরের কথা বরং বিরোধী দল নির্বাচনী প্রচারের ন্যুনতম সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে জনগণ ফ্যাসীবাদী সরকারকে বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেবে না বরং ৩০ ডিসেম্বর ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।
(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)


জেড