সরকারের প্রভাবশালী একজন মন্ত্রী বলেছেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে তার ভাষায় 'অনুপ্রবেশকারী, চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসীদের' খুঁজে বের করে একটি তালিকা তৈরি হচ্ছে।
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সিলেটে সাংবাদিকদের বলেন, খুব শিগগির এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে মধ্যে শুদ্ধি অভিযান শুরু হবে।
সাংবাদিকরা গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারী দলের ছাত্র সংগঠনের প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহারের প্রসঙ্গ তুললে মন্ত্রী এই তথ্য দেন। পরে ওবায়দুল কাদের বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ক্ষমতা এমন একটি বিষয় যে তার সাথে কিছু তলানি-আবর্জনা চলেই আসে। গতবাস এই প্রবণতা তীব্র আকার ধারণ করেছিল।
তিনি বলেন, “চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। এরা যখন যার হাত ধরে আসে এব সুবিধাভোগী হয়ে যায়, সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজি করে। এতে গোটা পার্টি, গোটা সরকারের ইমেজ নষ্ট হয়।"
মন্ত্রী বলেন, "সে কারণেই আমাদের এবার যেটা অগ্রাধিকার তা হলো , আমরা দুর্নীতির বিষয়টি খুব কড়া নজরদারিতে রেখেছি, এক্ষেত্রে টলারেন্স হবে 'জিরো' - আর আরেকটি বিষয় হবে সুশাসন কায়েম করা। "
যে দলে কার্ডধারী সদস্যের প্রথা নেই, সেখানে কি ভাবে এই তালিকা করা হবে, এ প্রশ্ন করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, এর বিভিন্ন 'মেকানিজম' আছে, দলের ভেতরেও তারা একটা রিপোর্ট চাইতে পারেন।
তালিকায় কারো নাম এলে কি তাদের দল থেকে বের করে দেয়া হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, “সুশাসন কায়েম করতে হলে ব্যবস্থা তো নিতে হবে।
আওয়ামী লীগ বা বিএনপির মতো দলের নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসের অভিযোগ নতুন কিছু নয়।”
কিন্তু দলের ভেতর থেকে অনুপ্রবেশকারী, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করে তালিকা করার যে কথা মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলছেন, বাস্তবে সেটা কতটা সম্ভব?
দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ শাখার নির্বাহী পরিচালক, ড ইফতেখারুজ্জামান বলছেন, এটা অসম্ভব নয়, তবে রাজনৈতিক সদিচ্ছাটাই কতখানি আছে সেটাই আসল কথা।
তিনি বলেন, সত্যিই এটা করতে চাইলে এই তালিকা তৈরি করে প্রকাশ করা এবং তার ভিত্তিতে কি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে তা দেখানো দরকার। সূত্র: বিবিসি
[b]ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // ইএইচ[/b]
আওয়ামী লীগে শিগগির শুদ্ধি অভিযান
সরকারের প্রভাবশালী একজন মন্ত্রী বলেছেন, আওয়ামী লীগের মধ্যে তার ভাষায় 'অনুপ্রবেশকারী, চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসীদের' খুঁজে বের করে একটি তালিকা তৈরি হচ্ছে। যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সিলেটে
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের সম্পর্ক নেই, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সঙ্গে প্রতিশোধের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, সরকার এ রায়কে স্বাগত জানায় এবং তারা সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চান।
মানবতাবিরোধী অপরাধ ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মানবতাবিরোধী অপরাধ ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মামলার রায় মঙ্গলবার
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে সশস্ত্র হামলা, প্ররোচনা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলায় রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে মামলাটির রায় আগামী কাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রদান করা হবে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদেরসহ ৭ জনের রায় যে কোনো দিন
জুলাই বিপ্লবের সময় গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে মামলার রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছে ট্রাইব্যুনাল। অর্থাৎ যেকোনো দিন হতে পারে।
‘নেটটা একটু স্লো করে দাও’—ট্রাইব্যুনালে পলক-কাদেরের কল রেকর্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে আন্দোলনকারীদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে ইন্টারনেট একটু স্লো করে দিতে বলেছিলেন সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
















