জাগপার কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও নীলফামারী জেলা জাগপার সভাপতি মরহুম ইসমাইল হোসেনের স্মরণে জাগপা আয়োজিত শোক ও স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেছেন, সমগ্র জীবন দিয়ে মরহুম সৈয়দ ইসমাইল হোসেন আমাদের শিখিয়েছেন ‘নীতির প্রশ্নে আপোষ করো না আপোষ মেনো না’।

তাঁর রাজনীতির উত্তরাধিকার হিসেবে আমাদেরও সাফ কথা স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপোষ হবে না আপোষ মানি না।

তিনি বলেন সংকট মোকাবেলায় বেগম খালেদা জিয়া আলোচনার প্রস্তাব দিলেন, দিল্লীর ইশারায় শেখ হাসিনা সে কথা শুনলেন না। ২০ দল জনগণের রাজনীতি করে। দেশের মালিক জনগণ। এখন জনগণের সাথে কথা বলেই দেশ বিক্রির রাজনীতি মোকাবেলা করা হবে।

কাশ্মীরের ৫০ লক্ষ মানুষ দিল্লীর মসনদ কাপিয়ে দিয়েছে। ৫ লক্ষ সৈন্য ও ঈদের দিন কারফিউ দিয়েও আন্দোলন ঠান্ডা করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণ জেগে উঠেছে। এ জাগরণ রুখার ক্ষমতা হিল্লী-দিল্লী কারো নাই।

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশের ভাবমূর্তি কোথায়? একবার ভেবে দেখুন। শ্রীলংকার মত বন্ধুপ্রতীম দেশ অন-এ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে। মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের এখন জানকান্দানী দশা। বিরোধীদলকে ঠান্ডা করতে যেয়ে বাংলাদেশকে আপনারা জঙ্গী দেশ বানিয়েছেন।

হুম্মাম কাদের চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আজমী ও ব্যারিস্টার মীর আহমেদ কাসেম আরমানের মত পরিচিত পরিবারের সদস্যরা কোথায় হারিয়ে গেল দেশবাসী আজো জানে না। এটা কিসের আলামত জানি না। তবে আইনের শাসনকে হত্যা করার চেষ্টা করবেন না।

আজ সকাল ১১টায় আসাদ গেট জিইউপি মিলনায়তনে জাগপার কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও নীলফামারী জেলা জাগপার সভাপতি মরহুম সৈয়দ ইসমাইল হোসেনের স্মরণে শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাগপার সহ সভাপতি মহিউদ্দিন বাবলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান খান, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, যুব জাগপার সভাপতি আলহাজ্ব ফাইজুর রহমান, জাগপা ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুল আলম, দপ্তর সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র সরকার, জাগপা নেতা জামাল উদ্দিন, আজিজুর রহমান স্বপন, যুবনেতা সাইদুজ্জামান কবীর প্রমুখ।

সভা শেষে মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এসএম