একটি রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্যই হচ্ছে তার জনগনের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা। অথচ ক্ষমতাসীনরা জনগনের মৌলিক চাহিদা পুরনে সর্বাত্মক ব্যর্থ হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত আমীর মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া একথা বলেন।
আজ শ্যামপুর থানা জামায়াতের উদ্যোগে রাজধানীতে অসহায় বেকার যুবক যুবতীদের মঝে সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, সঠিক কর্মপরিকল্পনার অভাবে স্বাধীনতার পরে সকল সরকার জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিনত করতে ব্যর্থ হয়েছে এরফলে বেকার সমস্যা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হিসেবে সমাজকে ক্ষতবিক্ষত করছে।
যুব সমাজ বেকারত্বের গ্লানি সয়তে না পেরে বিভিন্ন অপরাধমুলক কাজে জড়িয়ে পড়ছে। এই বিভীষিকাময় অবস্থা থেকে একমাত্র ইসলামই পারে সমাজে শান্তি ও শৃংখলা ফিরিয়ে আনতে। ইসলামের প্রদর্শিত যাকাত ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করতে পারলেই কেবল বেকার সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, দেশের জনসাধারণকে স্বাবলম্বী করার জন্য আজ যুবক যুবতিদের মাঝে সেলাই মেশিন হস্তান্তর করা হচ্ছে। সমাজ থেকে দরিদ্রতা বিমোচন করাই এর মূল লক্ষ্য।
একক অথবা যৌথভাবে সেলাই কার্যক্রম পরিচালনা করে নিজ পায়ে দাঁড়িয়ে পরিবারে স্বচ্ছলতা এনে সন্তানদের শিক্ষার আলোতে আলোকিত করে সমাজ থেকে দারিদ্রতা চিরতরে দূর করতে হবে।
তিনি আরোও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার নয়। ফলে এই সরকার জনগণের স্বার্থ, সুবিধা-অসুবিধা ও সুখ-দুঃখের কথা ভেবে কাজ করে না। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য জনগণকে শোষণ করে, জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে শক্তির জোরে ক্ষমতায় টিকে থাকা।
এ কর্তৃত্ববাদী স্বৈরাচারী সরকারের কাছ থেকে জনগণের কোনও কল্যাণ আশা করা যায় না। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের পরাজিত করে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
এই স্বাধীনতার মাসে ন্যায়, ইনসাফ ও যাকাত ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় জনগনকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অনুষ্ঠানে ৩০ জন দুস্থ পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে ৩০টি সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
শ্যামপুর থানা আমীর সৈয়দ ইবনে হোসেন আলীর সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দীনের সঞ্চালনায় সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা ও মহানগরী দক্ষিনের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকির, আ জ ম রুহুল কুদ্দুস সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
এএস





