ভোটের দিন ধর্ষণের শিকার নারী ও তার পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে নোয়াখালী রওনা হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে রওনা হন তারা।
ফখরুলের সঙ্গে একই গাড়িতে রয়েছেন নোয়াখালীর ওই আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য, দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।
কৃষক, শ্রমিক, জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, হারুনুর রশীদ, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌথুরী এ্যানি, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, কেন্দ্রীয় নেতা রেহানা আখতার রানু, সৈয়দ আসিফা আশরাফী পাপিয়া এই সফরে রয়েছেন।
বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নারীর খোঁজ-খবর নেবেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা, এরপর জেলার আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বিকালেই ঢাকা ফিরবেন তারা।
গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পর রাতে বাড়িতে হানা দিয়ে অটোচালকের স্ত্রী, চল্লিশোর্ধ্ব ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়; তার সন্তান ও স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়েছিল।
ওই নারীর অভিযোগ, ভোটকেন্দ্রে নৌকার সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জের ধরে তার উপর এই নির্যাতন চালানো হয়।
দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মানবাধিকার কমিশনের একটি দল এবং পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নোয়াখালী গিয়ে ওই নারীর সঙ্গে কথা বলেছেন।
পুলিশ স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে; এর মধ্যে চারজন ওই নারীর করা মামলার আসামি।
নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যানকারী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা কামাল হোসেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, “জাতি হিসেবে এই ঘটনা সবাইকে অত্যন্ত হেয় প্রতিপন্ন করেছে। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে এমন ঘটনা কল্পনা করা কঠিন।”





