আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধী জামায়াতের আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর যুদ্ধাপরাধী মামলার ফাঁসির রায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সন্তুষ্ট। এই রায়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।

বুধবার দুপুরে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নিজামীর ফাঁসির রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষনিক এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

হানিফ বলেন, নিজামীর রায়ের মধ্যে দিয়ে প্রমাণ হয়েছে সরকার কারো সঙ্গে কোন ধরনের আঁতাত করেন নি। আদালত তার নিজস্ব গতিতেই চলছে, নিজামীর অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ রায়ের মধ্যে দিয়ে জাতি কলঙ্ক মুক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ৭১ যারা জামায়াতের ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তারা সকলেই যুদ্ধাপরাধের সাথে সম্পৃক্ত। এ জন্যই এই দলটি যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিবেচিত। তাই এই দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ এখন জনগণের দাবি।

এ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ওই একই স্থানে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, নিজামীর রায়ের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালে কোন হস্থক্ষেপ করে নি সরকার। রায় নিয়ে এই মূহূর্তে নাশকতা করার কোন শক্তি জামায়াতের নেই। তারপরও যদি তারা নাশকতা করার কোন ধরণের চেষ্টা করে, তাহলে জনগণের জানমাল রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স দেখাবে।

এদিকে, অপর একটি অনুষ্ঠানে হানিফ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা নিজেও এখন বিশ্বাস করেন মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ যুদ্ধাপরাধী মামলায় অভিযুক্ত অন্যান্য আসামিরা অপরাধী।

হানিফ বলেন, যুদ্ধপরাধী মামলার আসামিরা ১৯৭১ সালে মানুষকে হত্যা করেছে, নারীদের ধর্ষণ ও লুটপাট করেছেন। এটা বিএনপি নেত্রী বেগম খালদা জিয়াও এখন একথা বিশ্বাস করেন।

বুধবার দুপুরে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় শ্রমিক লীগের এক বৈঠকে তিনি এ সব কথা বলেন।

উল্লেখ্য, ৩০ অক্টোবর নাটোরে ২০ দলীয় জোটের জনসভা ছিল। সেই তারিখ পরিবর্তন করে ১ নভেম্বর নেয়া হয়েছে।

শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের শ্রম বিষায়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জাল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ।

এমআর/এএইচ/এসএইচ