আওয়ামী লীগই বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদের জনক মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের আমলেই বাংলাদেশে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসের ঘটনা বেশি ঘটেছে। অথচ তারা সেইসব ঘটনার কোন বিচার করেনি। কারণ জঙ্গী ও সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগের প্রিয়ভাজন।
রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী যুবদল আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
বিএনপি সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে দাবি করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি কখনো জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাস করেনা। সেজন্য সহিংসতা না করে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনের দাবিতে সংলাপের আহবান জানিয়ে আসছে। অথচ বিএনপির বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচারের একটাই উদ্দেশ্য তা হলো বিএনপিকে আন্তর্জাতিকভাবে সঙ্গীহীন করা। কিন্তু তাদের কোন ষড়যন্ত্রে কাজ হবেনা।
নতুন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, আপনারা যদি এতোই জনপ্রিয় দল হোন। তাহলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন দিন। আপনাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন।
তারেক রহমানকে হত্যার ষড়যন্ত্র হয়েছিল দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমান এই জাতিকে এগিয়ে নিতে চাইছেন। তিনি চাইছেন জাতিকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাড় করাতে। আর এজন্য তাকে গ্রেফতার করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, সেদিন তারেক রহমানকে শুধু গ্রেফতারই করা হয়নি তাকে হত্যার চক্রান্ত হয়েছিল।
তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী বার বার ষড়যন্ত্র করেছে এদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে পিছিয়ে দিতে। আর আওয়ামী লীগ বরাবরই এতে বিরাট ভুমিকা রেখেছে।
আ’লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের অস্তিত্ব টিকে থাকবেনা দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ এর আগে ১৯৭৫ সালে মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করে বাকশাল কায়েম করেছিল। জনগনের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার গুলো কেড়ে নিয়েছিলো। এবারও একটু ভিন্ন আঙ্গীকে জনগনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নির্বাচন করে জনগনের অধিকার হরণ করেছে।
খালেদা জিয়ার ডাকে সবাইকে আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে মির্জা আলমগীর বলেন, আসুন আজকে শপথ নেই, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে রাজপথে আন্দোলনে মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকারের পতন নিশ্চিত করবো। তাহলে এটাই হবে তারেক রহমানের এবারের জন্মদিনে সবচেয়ে বড় উপহার।
যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচির বরকতুল্লাহ বুলু, যুবদলের সাধারন সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, যুবদল নেতা এসএম জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
এমএইচ





