সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমাদের দলের সভাপতি ও পার্টির সুপ্রিম শেখ হাসিনা। কাউন্সিলে কাউন্সিলররা নেত্রীর মাইন্ড সেটের ওপর সবকিছু ছেড়ে দেন।

দলের সাধারণ সম্পাদক সভাপতির নির্দেশ অনুযায়ী চলেন। আরেকবার সাধারণ সম্পাদক হবো কিনা, তা নেত্রীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। তিনি বললে থাকবো, না বললে সরে যাবো। তবে এই পদে যে-ই আসুক আমি তাকে স্বাগত জানাই।’

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দলের ২০তম ওই জাতীয় সম্মেলনে সভাপতি পদে শেখ হাসিনা টানা অষ্টমবারের মতো পুনর্নির্বাচিত হলেও সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে সরিয়ে তার জায়গায় সাধারণ সম্পাদক হন ওবায়দুল কাদের।

সচিবালয়ে সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি কথা বলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. ফারজানা ইসলাম প্রসঙ্গেও।

জানান, অপরাধ করে কেউ ছাড় পাবে না, নেওয়া হবে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী।

ওই ঘটনা নিয়ে তদন্ত চলছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে এ নিয়ে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক, প্রমাণ পেলে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। ছাত্রলীগ নেতাদের টাকা দেয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ছাত্রলীগের মতো আওয়ামী লীগের অন্য সহযোগী সংগঠনগুলোতেও শুদ্ধি অভিযান শুরু হওয়ার খবর জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের দুই নেতার পদ হারানোর ঘটনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী পথ দেখিয়ে দিয়েছেন।

এখন সহযোগী সংগঠনগুলোর উচিত সেই পথেই নিজেদের মধ্যেও শুদ্ধি অভিযান চালানো।’

এএস