বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লুকিয়ে থাকা সেনাপতি বলে অ্যাখায়িত করলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

হানিফ বলেন, ফখরুল আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা দেখার অপেক্ষায় আছি, গ্রেফতারের ভয়ে লুকিয়ে থাকা সেনাপতির ডাকে কারা আন্দোলনে নামে!

মঙ্গলবার বিকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আগামী ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সমাবেশ সফল করার লক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সুশীল সমাজের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, অনেকে বলেছেন, তাদেরকে (বিএনপি) সমাবেশ করতে দিলে কী হতো? আপনাদের কাছে জানাতে চাই, একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি ঘোষণার পর আরেকটি রাজনৈতিক দল কীভাবে কর্মসূচি দেয়? বিএনপির সমাবেশ করার অধিকার ছিল না। যারা বিএনপির পক্ষে সাফাই গায়, তাদের ধিক্কার জানাই।

তিনি সাংবাদিকদের ভাল করে শুনে বক্তব্য প্রচারের আহ্বান জানিয়ে হানিফ বলেন, সাংবাদিকদের প্রতি আমাদের অসীম শ্রদ্ধা। আজকে সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ আমাকে কোড করলেন।

তিনি বলেছেন, আমি নাকি বলেছি, ‘ফখরুল মোস্ট ওয়ান্টেড আসামী।’আমি এ কথা বলিনি, আমি বলেছি ফখরুল ওয়ারেন্ডভূক্ত আসামী।

উল্লেখ্য, আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে হানিফ বলেছিলেন, প্রেসক্লাব পবিত্র যায়গা। এখানে কোনো সন্ত্রাসী বা আসামী থাকতে পারে না। মির্জা ফখরুল ওয়ান্টেন্ড আসামী। তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করুন।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ‘শুনলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গলা ধাক্কা দিয়া, বাইর কইরা দিচ্ছে। এ জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাই।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাঘ উল্লেখ করে মায়া বলেন, ‘বাঘের মতো কামড় দিয়া মুক্তিযুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে এনেছি। বেয়াদব তারেক মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু নিয়ে ইতিহাস বিকৃতি বন্ধ না করে, ওরে এমন কামড় দিব, ও সোজা হয়ে যাবে।’

এসময় নেতারা ৫ জানুয়ারি কাক্ষিত বিজয় পূর্ণাঙ্গ উৎযাপন করতে না পারায় ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে বিজয় উৎযাপনের ঘোষণা দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগরে সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, মুকুল চৌধুরী, যুগ্ম-সধারণ সম্পাদক হাজী মো: সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, উপ-প্রচার সম্পাদক মো: জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

এমআর/এসএইচ