আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, ‘বিএনপি ভাঙার ব্যাপারে কোনো তথ্য (নিউজ) নেই, আপনাদের দেওয়ার মতো। কারা ভাঙছে, কারা ভাঙতে চাইছে তাদেরও আমরা চিনি না। আমরা চাই সমস্ত রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক পরিবেশে (এনভায়রনমেন্টে) তাদের দায়িত্ব তারা পালন করুক।’
রাজধানীর ধানমণ্ডিতে মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের এক যৌথসভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ সব কথা বলেন।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি মনে করি সরকারের কাজ সরকার করবে, দলের কাজ দল করবে। যখন আমরা মন্ত্রিত্বের শপথ গ্রহণ করি তখন আমি আওয়ামী লীগ করি না। যখন দলের কাজ করি, তখন দলেরই কাজ করি। এখানে কোনো সংঘাত আমি দেখি না।’
তিনি বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রশাসন নিয়ে কোনো রাজনীতি করেন না। উনি চান দক্ষ কর্মকর্তারাই প্রশাসনে আসুক। তাতে জাতিও উপকৃত হবে, সরকারও উপকৃত হবে।
জননেত্রীর বিশ্বাস, প্রশাসনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। আমি আশা করি অতীতেও যেমন প্রশাসন গতিশীল ছিল ভবিষ্যতে আরও গতিশীল হবে।’
আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বহিষ্কার আদেশ সম্পর্কিত নির্বাচন কমিশনের চিঠি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমি চিঠি পেয়েছি। নির্বাচন কমিশনের শুনানির তারিখ হয়নি। তারিখ হলে সংবিধান অনুযায়ী ও দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমরা শুনানিতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করব।’
বৈঠক সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আমরা প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।
প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের দলীয় সভানেত্রী চূড়ান্ত অনুমোতি দেওয়ার পর কর্মসূচি আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে। শোক দিবস উপলক্ষে আমরা নতুন নতুন ও ভিন্নমাত্রার অনুষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে জাতির পিতার শাহাদাৎ বার্ষিকী উদযাপন করবে।’
জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগরের অন্তর্গত আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্যগণ এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের সঙ্গে এই যৌথসভার আয়োজন করা হয়। যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভুইয়া ডাবলু, কেন্দ্রীয় সদস্য এনামুল হক শামীম, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশীদ, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিলসহ অঙ্গ-সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা।
এমকে





