শুক্রবার (১৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা ও দলের অন্যতম উপদেষ্টা নাসির আব্দুল্লাহর, দলের নবঘোষিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম নির্ঝর, প্রধান উদ্যোক্তা ও নবঘোষিত কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ প্রিন্স, দলটির অন্যতম উপদেষ্টা সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান, নতুন ছাত্র সংগঠনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ব্যারিষ্টার যুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ব্যারিষ্টার সানী আদুল হক, ব্যারিষ্টার নাসরীন সুলতানা মিলি প্রমুখ।
ঘোষণাপত্রে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক মুহাম্মদ প্রিন্স বলেন, আমরা বিভিন্ন সময়ে ব্যাপক ভিত্তিক পরামর্শ ও গবেষণার প্রেক্ষিতে ছাত্রসমাজের মূল সংকট হিসেবে রাজনৈতিক অসচেতনতাকে চিহ্নিত করেছি। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছি স্বপ্নহীন শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের অকার্যকর নাগরিকের আঁতুড়ঘরে পরিণত হওয়া। তাই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত তিন মূলনীতি সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের আলোকে শিক্ষার্থীদেরকে রাজনীতি সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের সংগঠনের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, যে দেশ রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণে রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত ও সচেতন ‘জনগণের সেবক’ তৈরিতে এর কোনো বিকল্প নেই বলে আমরা বিশ্বাস করি। দেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সামাজিক ও মানবিক কাজে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে রাষ্ট্রের দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে নিজেদের অন্যতম কর্মসূচি হিসেবে নির্ধারণ করেছি।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষ’র প্রধান উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, আমাদের গত ৬০/৭০ বছরের ছাত্র রাজনীতির সবচেয়ে বড় সংকট হলো জাতিস্বত্তা গঠন ও তার মননশীলতার বিকাশে সে কোনো তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেনি। শুধুমাত্র ক্ষমতার বলয়-কেন্দ্রীক হাতিয়ার ও লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করতে গিয়ে ছাত্র সমাজের শুধু অপূরণীয় ক্ষতিই হয়নি, বরং পুরো রাজনীতির ব্যাপারেই একটা অনীহা জন্মেছে যার ফলাফল হচ্ছে সৎ, মেধাবী ও চৌকশ তরুণরা বেশী মাত্রায় ক্যারিয়ার প্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশ ও জাতির সেবা করবার কোন প্রত্যয় বা আকাঙ্ক্ষা তাদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে না।
এনএইচ





