গত ৫ জানুয়ারিকে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস ঘোষণা করে একাদশ জাতীয় নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত এই দিবসটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পালন করবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ।

শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগি এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের এক যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
হানিফ বলেন, ২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে বিএনপি ও তার দোসর যুদ্ধাপরাধী জামায়াত সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। তাদের সকল সহিংসতা স্থিতিশীল করে আওয়ামী লীগ সভাপতি একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র রক্ষা করেছে।

তাই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যরন্ত, এ দিনটিকে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস হিসেবে পালন করবে আওয়ামী লীগ।তবে এর পরেও এ দিবসটি পালন করার ব্যাপারে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি বলেন, এ উপলক্ষ্যে আগামী ৫ জানুয়ারি সারাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলায় র্যা লি ও সমাবেশের মাধ্যমে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় এ দিবসটি পালন করা হবে।

বিএনপি আগামী ৫ জানুয়ারি মাঠে থাকবে বলে জানা গেছে। তাদেরকে প্রতিরোধ করার কোন দলীয় সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের আছে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সব সময় নিজেদের কর্মসূচি নিয়ে ভাবে, অন্যের কর্মসূচি নিয়ে ভাবার কোন সময় নেই।

৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের বিজয় দিবস পালন করা গ্রহন যোগ্য হবে না বলে অনেকেই মনে করছেন-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, এখন কি উৎকৃষ্ট গণতন্ত্রের চর্চা হচ্ছে না? উৎকৃষ্ট গণতন্ত্র মানে কি সংসদে বসে বিএনপির খিস্তি-খিউর শোনা? খালেদা জিয়া ও ফখরুল ইসলাম কি জনসভায় বিষদগার করছে না। সরকার কে হুমকি দিচ্ছে না? তাদের এই সব বক্তব্যের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় দেশে গণতন্ত্রের সর্বোৎকৃষ্ট চর্চা হচ্ছে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, শ্রম বিষায়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, স্বেচ্ছাবেসক লীগের সভাপতি মোল্লা মো: আবু কাওসার, ছাত্রলীগ সভাপতি এ এইচ বদিউজ্জামান সোহাগ।

এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ, মহিলা লীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগি ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের বিভিন্ন পার্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এমআর/এসএইচ