ক্ষমতা রক্ষা ও ক্ষমতারোহনের লড়াইয়ে দুই বৃহৎ রাজনীতিক দল ও জোট জনগণকে জিম্মি করে ফেলেছেন।

৫ই জানুয়ারি ২০১৫ বিএনপি’র চেয়ারপার্সন ও ২০ দলীয় জোট নেত্রী ঘোষিত সমাবেশের অনুমতি না দেয়া এবং জোটনেত্রীকে তাঁর কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা ও দুই পক্ষ কর্তৃক সৃষ্ট অবরোধের রাজনীতির ন্যায় দেশ আজ এক সংঘাতের মুখে নিপতিত।

দেশের উৎপাদন ও উন্নয়ন যার পর নাই ক্ষতির সম্মুখীন জনমনে বিরাজ করছে চরম হতাশা ও আতঙ্ক। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কুচক্রীরা নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে অপঃপ্রয়াসে লিপ্ত।

এর মধ্যেই বুঝে না বুঝে বা অতিমাত্রায় নিজেকে যোগ্যতার প্রমাণ করার মানষে কিছু কিছু সরকার দলীয় নেতা ও মন্ত্রী দায়িত্ব জ্ঞানহীন বক্তব্য সৃষ্টির সংঘাতময় পরিস্থিতীকে আরও উসকে দিচ্ছে।

যা একান্তই অনাকাংখিত। দেশ ও জনগনের বৃহত্তর স্বার্থে এহেন সংঘাতময় ও প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে দুই ক্ষমতা লিপ্স দল ও জোটকে সমঝোতার মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে এবং দেশকে গৃহযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষায় উদ্যোগী হওয়া ও জাতিকে জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দেওয়ার উদাত্ব আহ্বান জানানো হয়।

ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-এনডিএফ এর স্টিয়ারিং কমিটির জরুরী সভায় আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায়, ৫০/১ পুরানা পল্টন লাইনস্থ কার্যালয় এনডিএফ’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জোবায়দা কাদের চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির জরুরী সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ’র মহাসচিব আলমগীর মজুমদার, ন্যাপ ভাসানী চেয়ারম্যান শেখ আনোয়ারুল হক ও ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান এম.এ রশিদ প্রধান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান এমএইচ খান মজলিশ ও মহাসচিব মিজানুর রহমান মিজু, তৃনমূল ন্যাপ চেয়ারম্যান পারভীন নাসের খান ভাসানী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল)’র মহাসচিব আতিকুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপল্স পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই মন্ডল ও ভাসানী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মমতাজ চৌধুরী, জাগো দলের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক চৌধুরী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সভায় আগামী ২০ জানুয়ারি ২০১৫ইং যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ আসাদ দিবস পালনের প্রস্তাব গ্রহন করা হয়। এ দিন সকালে শহীদ আসাদ স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পার্ঘ নিবেদন এবং পরবর্তীতে সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এসএইচ