শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে লাখো ‘শ্রমিকের বুক ফাটা কান্না’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন বলেন, গুলির নির্দেশ দিয়ে কয়জনকে হত্যা করবেন? আন্দোলন কখনো গুলি করে বন্ধ করা যায় না।
গণফোরাম সভাপতি বলেন, অধিকার আদায়ে শ্রমিকদের আরো সচেতন হতে বলে ঐক্যের প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি। আর ঐক্যবদ্ধ থাকলে অধিকার আদায় হয়।
তিনি বলেন.বিএনপিকে গাড়ী পোড়ানো,ভাংচুর ও বোমা ছোঁড়া বন্ধ করতে হবে।
কামাল হোসেন বলেন, আমরা চিন্তা করি কীভাবে শ্রমিকদের কম পারিশ্রমিক দেয়া যায়। এ চিন্তা থেকে মালিকদের বেরিয়ে আসতে হবে।
‘লাখো শ্রমিকের বুক ফাটা কান্না’ বইটিতে তাজরীন গার্মেন্টসের অগ্নিকা- এবং রানাপ্লাজা ধসে সহস্রাধিক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা বর্ণিত আছে।
ওই অনুষ্ঠানে আনু মুহাম্মদ বলেন, রানাপ্লাজা ধসের দুই বছর হতে চলল, কিন্তু এখনো কতজন শ্রমিক মারা গেছে তার সঠিক সংখ্যা আদৌ জানা যায়নি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে এখনও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দেয়া অনুদানের ২০০ কোটি টাকা পড়ে থাকলেও সঠিক পরিচয় না পাওয়ায়। ক্ষতিপূরণ যাদের পাওয়ার কথা তারা এখন ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।
আনু মুহাম্মদ বলেন, কিছু সংখ্যক প্রতারক ক্ষতিপূরণ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে।
একে





