বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও রমনা থানা আমীর ড.মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমাদের অর্জিত স্বাধীনতার সুফল এদেশের মানুষ এখনও পায়নি। মানুষের মৌলিক অধিকারকে হরণ করেছে বর্তমান আওয়ামী সরকার।
দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে বিকিয়ে হলেও আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকার যে ষড়যন্ত্র করছে, তা এদেশের জনগণ কখনো মেনে নেবে না। দেশকে বাকশাল ও স্বৈরাচারের কবল থেকে রক্ষা করতে হবে।
তিনি আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের স্থানীয় এক মিলনায়তনে রমনা থানা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধাদের মেধাবী সন্তাদের মাঝে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
থানা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা হাবিবুর রহমানের পরিচালনায় এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, থানা কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট জিল্লুর রহমান, আতাউর রহমান সরকার ও ছাত্রশিবিরের কলেজ জোন সভাপতি মুরাদ হোসেন প্রমুখ।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে আওয়ামীলীগ পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছে। অথচ এদেশের মুক্তিকামী মানুষ যে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে সে গণতন্ত্রকেই আজ একদলীয় বাকশালের বন্দীশালায় আবদ্ধ করেছে আওয়ামীলীগ।
সুতরাং দেশ, জাতি, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও ইসলাম রক্ষার আন্দোলনে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে স্বৈরাচার এবং বাকশালীদের বিরুদ্ধে দূর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলে তাদের পতন ঘটাবে ইনশাল্লাহ।
ড.করিম আরো বলেন, নিরপরাধ শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার রক্ত, আর গুম-খুন হওয়া মানুষের আহাজারী আওয়ামীলীগের পতনকে ত্বরান্বিত করার নিয়ামক শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করবে। তাই আর কোন ভেদাভেদ নয়, আসুন, একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমরা একটি জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলি।
সন্ত্রাসী, দূর্নীতিবাজ অপরাজনীতির কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্ব দিতে হবে। এক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানেরা তাদের মেধা, শ্রম ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে রমনা জামায়াতের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মেধাবী সন্তানদের মাঝে বৃত্তি প্রদান করেন জনাব ড.রেজাউল করিম।
পরিশেষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শাহাদাতবরণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এসএইচ





