মাহে রমযানের পবিত্রতা রক্ষা এবং তাকওয়া ভিত্তিক চরিত্র গঠনের মাধ্যমে আত্মগঠনের জন্যেপ্রচেষ্টা চালাবার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ।
দলমত নির্বিশেষে সব মুসলমান ভাইবোনদের প্রতি কুরআন নাযিলের এ মাসটি পূর্ণ মর্যাদাসহকারে পরিপূর্ণ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করার জন্য শনিবার এক প্রেস বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান তিনি।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, রহমত,মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে মাহে রমযান আবার সমাগত। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, এ মাসের প্রথম অংশ রহমতের, মধ্যবর্তী অংশ মাগফিরাতের, শেষ অংশ নাজাতের। এ মাসের শেষ ১০ দিনের মধ্যে রয়েছে একটি বরকতময় রাত যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ মাসে একটি ফরজ কাজ আঞ্জাম দিলে অন্য মাসের ৭০টি ফরজ কাজের সমান সওয়াব পাওয়া যায়। আর ১টি নফল কাজের আঞ্জাম দিলে ফরজ কাজের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায়। এ মাস সবর ও পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীলতার মাস।
মাহে রমযানের রোযার উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যে আত্মবিশ্লেষণ করে আল্লাহর নিকট থেকে সওয়াব লাভের আশায় মহব্বতের সাথে রোযা পালনের এবং রমযানের গুরুত্ব ও ফজিলত সংক্রান্ত হাদীসগুলো শুরুতেই অধ্যয়ন করে নেয়ার জন্যে তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।
মকবুল আহমাদ বলেন, পবিত্র এ রমযান মাস কুরআন নাজিলের মাস। কুরআন মানবজাতির প্রতি আল্লাহ তায়ালার সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত। কুরআন থেকে হেদায়াত লাভের জন্য যে মনমানসিকতা ও চরিত্রের প্রয়োজন, সেই মন ও চরিত্র সৃষ্টির জন্য আল্লাহ তায়ালা মাহে রমজানের রোজা পালনকে আমাদের প্রতি ফরজ করেছেন। এক মাসব্যাপী রোযা পালনের মাধ্যমে সে লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।
এ মাসে বেশি বেশি নেক আমল, কুরআন-হাদীস ও ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন এবং রমযানের পবিত্রতা রক্ষা করে যথার্থভাবে সিয়াম সাধনা করার লক্ষ্যে যাবতীয় বেহায়ানাপনা ও অশ্লীলতা থেকে সমাজকে রক্ষার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সেই সাথে প্রতিবেশী ও দরিদ্র রোজাদারদের ইফতার করানোর মাধ্যমে সওয়াব হাসিল করার জন্য সচ্ছল ও বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির।
ঢাকা, ২৮ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





