নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরজুবলী ইউনিয়নের দরিদ্র সিরাজ উদ্দিনের স্ত্রী ৪ সন্তানের জননী গৃহবধূ পারুল আক্তারকে ‘ধানের শীষে’ ভোট দেয়ার কারণে আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীনের নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে গণধর্ষণ করে। এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আজ (০৪ জানুয়ারি) শুক্রবার দলটির সেক্রেটারি ডা. শফিকুর রহমান গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেন, “ধানের শীষে ভোট দেয়ার কারণে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরজুবলী ইউনিয়নের দরিদ্র সিরাজ উদ্দিনের স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িত আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীনসহ অন্যান্যরা নরপশু ব্যতীত অন্য কিছুই নয়। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

নোয়াখালীতে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনার দ্বারা প্রমাণিত হচ্ছে যে, বাংলাদেশে বর্তমানে কী সাংঘাতিক অরাজকতা চলছে! দেশের মানুষের জানমাল, ইজ্জত-আবরুর আজ কোন নিরাপত্তা নেই। সারা দেশে আওয়ামী জোট সরকারের সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে। দেশে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন বলতে কিছুই নেই। রাজনীতিসহ সর্বক্ষেত্রেই চলছে নগ্ন দুর্বৃত্তায়ন।”  

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ধর্ষিতা গৃহবধূর স্বামী সিরাজ উদ্দিনকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য ধর্ষণকারী দুর্বৃত্তরা হুমকি দিচ্ছে। যে দেশে প্রকাশ্য দিবালোকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় সরকার ও নির্বাচন কমিশন ভোট ডাকাতি করে জনগণকে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে মহা-উল্লাস প্রকাশ করে এবং সশস্ত্র বাহিনী তা দেখে নীরব ভূমিকা পালন করে সে দেশের মানুষ এক আল্লাহ ছাড়া আর কার কাছে বিচার চাইবে? তাই জনগণকেই সকল অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”  

জামায়াত সেক্রেটারি আরও বলেন, “সুবর্ণচরের গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এম. আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেসবার্তায় এইসব তথ্য জানানো হয়েছে।  

এমবি