৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ব্যর্থ হয়নি। কারণ ওই নির্বাচনে বিএনপির আহবানে সাড়া দিয়ে জনগণ ভোটকেন্দ্রে যায়নি। এখনো সীমিত সামর্থে্য দল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সেই আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। এই ‘দানব সরকারকে’ হটাতে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে শরিক হওয়া প্রয়োজন।’

প্রয়াত ভাষা সৈনিক আবদুল মতিনের স্মরণে বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ভাসানী স্মৃতি সংসদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।

মির্জা আলমগীর বলেন, দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়ে জাতি এই মুহূর্তে অস্তিত্ব সংকটে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, এই ‘সংকট’ উত্তরণ এবং জনগণের ‘ভোটের অধিকার’ ফিরিয়ে দিতে বিএনপি আন্দোলন করছে। এতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামার আহবান জানান দলের এ মুখপাত্র।

দেশ শাসরুদ্ধকর অবস্থার মধ্যে আছে জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও কার্যত গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। গণতন্ত্র হত্যা করে দেশে একদলীয় শাসন দীর্ঘস্থায়ী করতে চায়। সংবিধানের দোহাই দিয়ে গণতন্ত্র ধ্বংস করে ‘অবৈধ’ সংসদ করেছে। এখন ক্ষমতার দম্ভে সবাইকে জিম্মি করে রেখেছেন। কিন্তু মানুষ এ অবস্থা মেনে নেবে না।’

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একজন ছাড়া কাউকে চেনে না। সম্মানও দেয় না। তাদের কাছ থেকে সম্মান আশা করা যায় না। ভাষা সৈনিক আবদুল মতিনকে রাষ্ট্রীয় সম্মান না জানালেও জনগণ তাকে সম্মান জানিয়েছে।’

ভাসানী স্মৃতি সংসদের সভাপতি জিয়াউল হক মিলুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, কলামিস্ট নজমুল হক নান্নু, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রয়াত ভাষা সৈনিক আবদুল মতিনের সহধর্মিনী গুলবদন্নেসা মনিকা প্রমুখ।

জেআই