শোভনের অব্যাহতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে রোববার বিকেলে এসব বলেন নূরুন্নবী চৌধুরী। তিনি কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
শোভনের বাবা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে। তার প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে। তিনি নিজেই শোভনকে পছন্দ করে ছাত্রলীগের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আবার নিজেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। তার সিদ্ধান্তের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রয়েছে।
তিনি বলেন, আমার ছেলে শোভন এরকম খারাপ ছিলো না। সে সাদাসিধে ও অত্যন্ত সরল প্রকৃতির ছিলো। আর এ কারণেই তাকে একটি চক্রের বলির পাঠা হতে হলো। আমার ছেলেটা বোকা, তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করে জানতে পেরেছি, ঘটনাস্থলে ওই দিন শোভন ছিল না। রব্বানীরা তাকে পরে ডেকে নিয়ে যায়। শোভন উদ্ভূত পরিস্থিতি মীমাংসার জন্য সরল বিশ্বাসে সেখানে যায়। অথচ অর্থ কেলেঙ্কারিতে তাকে ফাঁসানো হলো।
শোভনের বাবা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে কথা বলার সময় রাব্বানী যেহেতু একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, সেখানে শোভন উপস্থিত থাকায় হয়তো তার নামও এসেছে। কিন্তু রাব্বানী নিজেই বলেছে, শোভন কিছু জানে না।
শোভনকে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব থেকে অপসারণে প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে কীভাবে দেখছেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে আক্ষেপের কিছুই নেই। নেত্রী ভালো মনে করেছিলেন, তাই তাদের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, পদে বসিয়েছিলেন। নেত্রী এখন মনে করছেন যে এদের দিয়ে আর ভালো চলবে না, তাই তাদের পদত্যাগ করতে বলেছেন।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কাছে অর্থ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করে জানতে পেরেছি, ঘটনাস্থলে ঐ দিন শোভন সেখানে ছিলো না। রব্বানীরা তাকে পরে ডেকে নিয়ে যায়। শোভন উদ্ভূত পরিস্থিতি মীমাংসার জন্য সরল বিশ্বাসে সেখানে গিয়েছিলো। অথচ অর্থ কেলেঙ্কারিতে তাকে ফাঁসানো হলো।
তিনি বলেন, আওয়ামী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসাবে এ কারণে আওয়ামী লীগের প্রতি আমাদের সামান্যতম শ্রদ্ধা কমবে না।
এএস





