বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কল্যাণপুর ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শাহরিয়ার জামান রানাকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা জানান। এ সময় তিনি আহতের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।
জামায়াত আমির জানান, মেজর আখতারুজ্জামানের প্রতিষ্ঠিত গচিহাটা কলেজের খেলার মাঠে দীর্ঘদিন ধরে একদল মাদকসেবী ও কারবারি আড্ডা দিত এবং নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল। রানা সাহেব সম্প্রতি কয়েক দফা ওই মাদকচক্রকে সেখানে উৎপাত না করতে সতর্ক ও ধমক দেন। সেই ক্ষোভ থেকেই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে কোনো কথা না বলেই তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় এবং বুকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়।
হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, হামলাকারীরা সরাসরি কোনো দলের নেতাকর্মী না হলেও তারা রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব অপকর্ম চালিয়ে আসছে। তিনি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘এই সময় তারা কার কাছে আশ্রয় পেতে পারে, এটা তো বুঝতেই পারছেন। আমার এটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপির ছেলের ওপর এমন প্রাণঘাতী হামলা হওয়ার পরও থানায় সুনির্দিষ্ট মামলা গ্রহণে রহস্যজনক টালবাহানা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রেঞ্জ ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলে যোগাযোগ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি। ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন তোলেন, ‘প্রশাসন আসলে কার পক্ষে? দুষ্টের পক্ষে, নাকি শিষ্টের পক্ষে?’ অবিলম্বে হামলাকারী ও তাদের মদদদাতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
এ সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান অভিযোগ করেন, হামলাকারী হিসেবে সুনির্দিষ্ট ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দেওয়া হলেও থানার ওসি তা অজ্ঞাতনামা করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এটিকে আইনের ওপর নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ বলে তিনি অভিহিত করেন।
এমএম











