একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীদের অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।
এছাড়া, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এবং বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনা মোতায়েনের দাবিও জানিয়েছে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী এই ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলটি।
সোমবার আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এসব দাবি জানায় খেলাফত আন্দোলন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা ছাড়াও ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন।
১৫ সদস্যের প্রতিনিধি বিশিষ্ট দলটির নেতৃত্ব দেন দলের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ।
নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া খেলাফত আন্দোলনের দাবি-দাওয়ার মধ্যে আরো রয়েছে, আগামীতে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন বিলুপ্ত করা; বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীর নামে গেজেট প্রকাশ না করে পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করা; দুর্নীতিবাজ, দেশদ্রোহী, কালো টাকার মানিক, ঋণখেলাপীর সঙ্গে জড়িত পরিবারবর্গকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা; দলের সকল পর্যায়ে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার বিধান বাতিল করা; ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভির ব্যবস্থা করা।
মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনকে নতজানু না হওয়া; নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলো ইসির অধীন আনা; ইভিএম ব্যবহার না করা, নির্বাচন সংক্রান্ত সব আইন বাংলায় করা, প্রার্থীদের জামানত ১০ হাজার টাকার মধ্যে রাখা, নির্বাচনী ব্যয় ১০ লাখ টাকার মধ্যে আনা, সকল অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও লাইসেন্সকৃত সব অস্ত্র জমা নেয়া, প্রবাসীদের ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করার দাবিও জানায় দলটি।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় এই বৈঠক হয়। এ পর্যন্ত ২০টি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধির সঙ্গে মতবিনিময় করেছে ইসি। ২৪ আগস্ট থেকে দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় শুরু হয়েছে।
এএস





