বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে এবং জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
তিনি সাভারের বিএনপির দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
আজ রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংসদ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং সাভার পৌর মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি রেফাত উল্লাহর মুক্তির দাবি জানানো হয়।
আজ রোববার সালাহউদ্দিনকে ঢাকা থেকে এবং রেফাত উল্লাহকে সাভার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত নেতা-কর্মীদের আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকারটুকুও খর্ব করছে বর্তমান সরকার। জনবিচ্ছিন্ন শাসকগোষ্ঠীর হিংসাশ্রয়ী রাজনীতি ও বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত না হওয়ার জন্য ভীতি সৃষ্টিই এর একমাত্র লক্ষ্য। তারা একদলীয় শাসনকে পাকাপোক্ত করার জন্য নানামুখী অপকৌশল এঁটে যাচ্ছে। আর সেই অপকৌশলের অংশ হিসেবে সারা দেশে বিএনপির পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার হীন উদ্দেশ্যে বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের ধারাবাহিকতায় বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি ডা. দেওয়ান সালাহউদ্দিন এবং সাভার পৌর মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি রেফাত উল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যথাযথভাবে কাজে না লাগিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়ার কারণেই আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে।
এমএইচ





