জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিবারের মতো এবারও আজ (বৃহস্পতিবার) রাত ১২টা ১ মিনিটে গুলশান কার্যালয়ে কেক কাটবেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
নিজের জন্মদিন আনুষ্ঠানিকভাবে পালন না করলেও বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে আনা কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রতিবারই উপস্থিত থাকেন খালেদা জিয়া। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।
বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠন জাতীয়বাদী ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলাদল, কৃষক দল, শ্রমিকদল, তাঁতীদল ও মৎসজীবী দলের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা কেক আনা হবে।
জন্মদিনের প্রথম প্রহরে অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে আনা ওই কেক কাটবেন খালেদা জিয়া। পরে তা মাদ্রাসা, এতিমখানা ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
কেক কাটা অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ঢাকা মহানগর বিএনপির আহবায়ক মির্জা আব্বাসসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
খালেদা জিয়া এবার ৭০ বছরে পা দিচ্ছেন। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট বাবার কর্মস্থল দিনাজপুরের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন খালেদা জিয়া। জন্মের পর তার নাম রাখা হয় খালেদা খানম। পুতুল তার ডাক নাম। বাবা এস্কান্দর মজুমদার ছিলেন ব্যবসায়ী।
তার পৈতৃক বাড়ি ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুরে। মা তৈয়বা মজুমদার দিনাজপুরের চন্দন বাড়ির মেয়ে। ১৯৬০ সালের আগস্টে সেনা কর্মকর্তা (পরবর্তীতে সেনাপ্রধান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি) জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন খালেদা জিয়া।
তবে ১৫ আগস্টে তার এই জন্মদিন নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। একইভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দিনে জন্মদিন পালন নিয়ে অনেক সমালোচনাও রয়েছে।
১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে পা রাখেন খালেদা জিয়া।
ঢাকা, ১৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেবি





