খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন,বিএনপির সঙ্গে কিসের সংলাপ? দেশে রাজনৈতিক সঙ্কট নেই। বিএনপির সঙ্গে সংলাপের প্রয়োজন নেই। বিদেশি বন্ধুরা সরকারের সঙ্গে আছে। দেশ উন্নয়নকর্মে এগিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় সংলাপের প্রয়োজন নেই।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশরত্ন পরিষদ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আর ওই সংগঠনের সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাশের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলম মুরাদ প্রমুখ।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ৫ বছর পর ২০১৯ সালে সংবিধান অনুযায়ী সরকারের অধীনেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। সেই সরকারের প্রধান থাকবেন শেখ হাসিনা।’
তিনি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সরকারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়ার অফার বিএনপির হাতে ছিল। আগামীতে বিএনপির জন্য আর ওই সুযোগ থাকবে না। কারণ তারা আর বিরোধী দলে নেই।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা নিজেদের ঘর সামলান। ঢাকা মাহানগর কমিটি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মারামারি শুরু হয়েছে। এবার বিএনপি-জামায়াতের সেসব সন্ত্রাসীরা দেশে ২০১৩ সালের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করবে তাদেরকে ঢাকাছাড়া করা হবে।’
খাদ্যমন্ত্রী বলেনন, আন্দোলন করার মতো সাহস বিএনপির নেই। যাদের জন্ম ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ,তারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রই করবে এটাই সস্বাভাবিক।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, তারা (বিএনপি) এখন নিজেদের ভুল বুঝতে পেরেছেন। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্দোলনে রেফারির ভূমিকা পালন করবে।
এ সময় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পেছনে ‘একচ্ছত্র ষড়যন্ত্রকারী’ হিসাবে জিয়াউর রহমানকে দায়ী করেন।
ঢাকা, একে, ১ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম





