বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “তারেক রহমানের পাসপোর্ট হাইকমিশনে জমার বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘অবান্তর ও বিভ্রান্তিমূলক’ কথা বলেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
আজ (সোমবার) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী এ হুমকি দেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, “পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন এবং মন্ত্রিত্ব টিকিয়ে রাখতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছেন।”
রিজভী বলেন, “আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি- তারেক রহমান লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে যদি তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট জমা দিয়ে থাকেন, তাহলে আপনারা সেটি দেখান। হাইকমিশন তো সরকারের অধীনে, তাদের সেটি দেখাতে বলুন।”
তিনি বলেন, “নিজ দেশের পাসপোর্ট জমা দেয়া আত্মা বিক্রির শামিল। পাসপোর্ট সারেন্ডার করে তারাই, যাদের ছেলেমেয়েরা বিদেশিদের বিয়ে করে নাগরিকত্ব নেন।”
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে রিজভী বলেন, “তারেক রহমানের পাসপোর্ট হাইকমিশনে জমার বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উড়ো, অবান্তর ও বিভ্রান্তিমূলক কথা বলেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, “জিয়া পরিবারের কেউ বিদেশে বিয়ে করেননি। তারা পৃথিবীর কোনো দেশের নাগরিকত্বও নেননি।”
রিজভী আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে, কিন্তু তারা নিজেরাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসকারী দল। তারা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহদপ্তর সম্পাদক বেলাল আহমদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত শনিবার লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, “লন্ডনে হাইকমিশনে নিজের পাসপোর্ট জমা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছেড়েছেন।” তিনি আরও বলেন, “২০১২ সালে তারেক জিয়া তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে জমা দিয়ে তার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব সারেন্ডার করেছে। সে কীভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়?”
এমবি





