কথিত জঙ্গী ধরার নামে রাজধানীর হাজারীবাগ ও ধানমন্ডি থেকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে নিরাপরাধ ১৪ জনশিক্ষার্থী সহ ১৫ জনকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ ও গ্রেফতার কৃতদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
বুধবার সংবাদমাধ্যমে পাঠা এক বিবৃতিতে মহানগরী আমীর বলেন, সরকার দেশকে বিরোধী দল শূণ্য করতে এক গভীর চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। তাই জঙ্গী ইস্যুকে হাতিয়ার বানিয়ে সারাদেশে নির্বিচারে নিরহ জনগনকে গ্রেপ্তার, হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। পুলিশ অভিযানের নামে সাধারণ ছাত্রদেরকে গ্রেপ্তার করে জেহাদী বই উদ্ধারের নাটক সাজাচ্ছে। নচেৎ সরকার জিহাদী বইয়ের তালিকা প্রকাশ করছেনা কেন? আরএসব সাজানো নাটক দেশবাসীর কাছে দিবালোকের মত স্পষ্ট।
সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবেই গত কাল রাতে রাজধানীর হাজারীবাগ ও ধানমন্ডি থানার বিভিন্ন এলাকায় কথিত অভিযানের নামে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ১৪ জন নিরাপরাধ ছাত্র ও ১জন নিরহ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাসম্পূর্ণ অন্যায় ও আইনের শাসনের পরিপন্থি।
তিনি বলেন, সরকার ৫ জানুয়ারি তামাশার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে জাতির ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসেছে। সরকারি পৃষ্ঠ পোষকতায় সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গীবাদ লালনেরকারণে দেশবাসী অতিষ্টহয়ে উঠেছে অথচ উল্টো এসবের দায়ভার বিরোধী দলের উপরে চাপিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সামনেই আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়ত অন্তকোন্দলে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্তহচ্ছে, যারা জনজীবন বিপন্ন করেতুলছে।
তিনি বলেন, এসব বন্দুক কার? পুলিশ কিএসব দেখেনা? এরাকি সন্ত্রাসী নয়? কেন এসব চিহৃত সন্ত্রাসীদের এখনো গ্রেপ্তার করা হচ্ছেনা? কার স্বার্থে জনজীবন অতিষ্টকারী চিহিৃত অস্ত্রবাজ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করে উল্টো নিরহ ছাত্রদের কে অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করে ছাত্রদের শিক্ষা জীবন কে বিপন্ন করে তোলা হচ্ছে? সরকারের এহেন অগণতান্ত্রিক আচরণ কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায়না। তাই দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সরকারকে অশুভ বৃত্ত থেকে অবশ্যই বেড়িয়ে আসতে হবে। তিনি হাজারীবাগ ও ধানমন্ডি থেকে অন্যায়ভাবে শিক্ষার্থীসহ ১৫ জন কে গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং গ্রেফতার কৃতদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।
এমবি





